১৯৮৫ থেকে ১৯৯৫ আমার পছন্দের কবিতা লেখার বয়স। এর আগে যদিও বা লিখেছি সেই সত্তরের শেষ থেকে, পরে অনেক কম। এখানে নেহাৎই কিছু নিজের সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসাতে আর কিছু অভ্র আর মেঘের চাপে তুলে দিলাম। ধারাবাহিক ভাবে থাকবে। ভূপালের পর বড় কষ্টে বাঁচার লড়াই করেও , সবুজ সবুজ গাছগুলো মরে কাঠ। বড় কষ্টে বাঁচার লড়াই করেও নির্বোধ পশুগুলো... »

লেখক : সুশান্ত
লেখকের ব্যক্তিগত ব্লগ : ব্লগ ঠিকানা
নিজের সম্পর্কে বক্তব্য : যাকে ঘৃণা করি সে আমার শেকলে বাঁধা হাত খুলে দেয় না! যাকে ভালোবাসি তাকেই যে বেঁধে রেখেছে বুনো হায়না! তখন সত্তর আশির আগুন ঝরানো দিন। নতুন যৌবন। আমি এমন কবিতা লিখতাম। লিখতামঃ মানুষইতো ছিল চিরদিন; মাঝে মাঝে না মানুষের হাত গুনা দিন। কিম্বা লিখতাম বাস্তিল বৈ এদেশে ওদেশে কোনো মানুষের নেই ঘর! এগুলো টুকরো নয়, পুরো কবিতা। বন্ধুরা বলল, এগুলো স্লোগান বুঝি। যখন এমন লিখলামঃ চায়ের কাপে চাঁদের হাসি নীল আকাশী শাড়ি; ঈদের মানে শাহনওয়াজ অনেক দিনে বাড়ি। কিম্বা লিখলামঃ শাওন দিনে যেমন কিনা ইলশেগুড়ি বিষ্টি; সখীলো, তোর এলো চুলের ছোঁয়া তেমন মিষ্টি। বন্ধুরা জানতে চাইল বসন্তের আগুন নেভানোর এসব ষড়যন্ত্র কেন!আমার মনে হলো নিকুচি করেছে সব ষড়যন্ত্রের। আমি আসলে কবিতার লোকই নই! দুটো লাইন লেখার জন্যে নিশি পোড়াবার কাজ নয় আমার। সুকান্ত আমার কথা ভেবেই লিখেছিল, ‘খুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়!’ এখন আমি পুর দস্তুর গদ্যের কারিগর! আমার লেখা পড়তে এখানে আসুন। দু’দণ্ড বেড়িয়ে যানঃ ১) http://sushantakar40.blogspot.com ২) http://ishankonerkahini.blogspot.com/ ৩) আসছে। স্রস্টা না হোক, সাহিত্য আমাকে তার শিক্ষক বানিয়েছে। এখন আবাল্যের বৃন্দাবন শিলচর ছেড়ে এসে তিনসুকিয়াতে ছাত্র পড়াই। কংশকে না হোক, রোজ অন্যের সৃষ্টি বধ করি। গান না গেয়ে গানের ক্লাসে গান শিখেছেন? আমরা শেখাই। কবিতা না লিখে কবিতা শেখাই!! ভাল্লাগে না। আমার সেই বৃন্দাবনের বাঁশিও বাজে না এখানে। যখন এসছি, ইন্টারনেট ছিল না, মোবাইল ছিলনা। দূরের কাঊকে ফোন করি, ততো নম্বরো ছিল না, ছিল না টাকা কড়িও। কী করি? তাতেই জন্ম নিল ‘প্রজ্ঞান’! আপনারা দেখেন নি? লোকে দেখেছি ফেলে দেবার জিনিস দিয়ে কত কী তৈরি করে। আমিও তেমনি করি। যেখানে লোকে বলছিল কিছু হবার নয়, সেই দেশে, সেই কলেজে এখন এতোটা দিন ধরে বেরুচ্ছে প্রজ্ঞান। শ্রেণির বাইরে ছাত্র পড়াবার ‘প্রজ্ঞান’। এখানে দেখুনঃ ১) http://sites.google.com/site/pragyan06now ২)http://pragyan06now.blogspot.com
লেখকের সব লেখা :
আমার কিছু পুরোনো কবিতা
স মঝু কন্তা দূর দিগন্তা। পাউস আয়ে চেলু দুলায়ে।। ‘প্রাকৃত পৈঙ্গল’ নামের এক প্রাচীন সংকলনে এই প্রত্ন বাংলা কবিতা সংকলিত হয়েছিল। এর এক আধুনিক বাংলা অনুবাদ আমি করেছিলাম (ফেব্রুয়ারী,৯৫ তে)এরকমঃ প্রিয়তম দূর দেশে দিগন্ত পার । ওড়না ওড়ালো এসে মেঘ বরষার ।। মন দিয়ে পড়ুন আবার , দেখবেন... »
কম্প্যুটার, ইন্টারনেট, মাতৃভাষা এবং পূর্বোত্তর ভারতের আন্তর্জালিক অভিধান ‘শব্দ’:

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ছাত্র হবার সুবাদে এক সময় আমার ইংরেজি লিখতে হাত কাঁপত। বলতে হলে বোধহয় এখনো ঠোঁট কাঁপবে। আজ আমি একটি কাগজ ( প্রজ্ঞান) নিয়মিত সম্পাদনা করি যার বেশির ভাগ লেখাই থাকে ইংরেজিতে। এ দরকারে এবং আনুষঙ্গিক আরো অজস্র দরকারে আজ আমাকে রোজ ইংরেজি লিখতে হয়। আমার হাত কাঁপে না। কারণটি, আর... »
মাতৃভাষাকে ভালোবেসে ‘শব্দ’তে যোগ দিন।

বাংলা সহ পূরবোত্তরের সমস্ত মাতৃভাষাকে যারা ভালোবাসেন তারা ‘শব্দ’তে যোগ দিন। পূর্বোত্তর ভারতের এক মাত্র আন্তর্জালিকা অভিধান। স্বেচ্ছাতে শব্দ যোগ দিন। বাংলার ক্ষেত্রে ( সিলেটি, কাছাড়ি আদি) পূর্বত্তরের ঔপভাষিক বাংলা হলে আরো ভালো। পূর্বোত্তরের আলো-হাওয়া-মাটি আপনারও। সেই অধিকার কায়েম করতে শব্দ হতে পারে এক শক্ত হাতিয়ার। পূর্বোত্তরের সমস্ত ভাষাগুলোর মধ্যে ‘শব্দ’ এক সম্মন্ধ সেতু।... »
অসমের এক কলেজের থেকে প্রকাশিত অনন্য নিয়মিত কাগজ পড়ুন

বন্ধুরা, ভারতের রাষ্ট্রভাষা নীতি যে কভাষাকে বিপন্ন করেছে কলকাতার মতো জায়গাতে বসে অনেকেই বুঝতে পারেন না। অসমের মতো জায়গাতে অসমিয়ারাও স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল, যদি বাংলা পশ্চিম বাংলার, তামিল তামিলনাডুর রাজ্যভাষা হয়, অসমে কেন অসমিয়া নয়। কিন্তু সত্য হলো অসমের সংখ্যা গরিষ্ঠ জনগোষ্ঠি ছিল বাঙালি। তাই একসময় ( পঞ্চাষ ও ষাটের দশকে ) এই দুই... »
কোনো এক বোকা বুড়ির গল্প বলি শুনো

(বাংলা সাহিত্য থেকে অসমিয়া সাহিত্য লাভবান হয়েছে অনেক। এর জন্যে অসমিয়া সাহিত্য ও তার পরিমণ্ডল সম্পর্কে অনেক বাঙালি খবর রাখেন না, ভাবেন বুঝি এতেতো সবই বাংলারই বর্ণ-গন্ধ। কিন্তু তাতে যে কত অজানা বিষয় বাদ পড়ে যায়, নিজের রাজ্যটি সম্পর্কেও অজ্ঞতার পাহাড় জমা হয়— এই কথা ভাববার সময় হয়ে এলো। ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার বাংলা সাহিত্য চর্চার... »
ভক্তিমাধবের মৃত্যুতে: এক মহান আলোর মশাল নিভে গেল!

লেখাটা আজ শিলচরের দৈনিক জনকন্ঠে বেরিয়েছে, তাঁর শ্রাদ্ধের দিনেঃ এখানে দেখুন এখানে আরো পড়তে পারেন। বরাকের অন্য বুদ্ধিজীবিরা কী লিখলেন ঃ এক ,দুই (এখানে সঙ্গে পাবেন তাঁর কিছু কবিতাও) , এবং তিন । (মে,১৯৩১-নভেম্বর,২০০৯) আশির দশকে আমরা যখন শিলচর গুরুচরণ কলেজের ছাত্র তখন বাংলা বিভাগের তিন নক্ষত্র আমাদের জগত আলোকিত করে রেখেছিলেন। জগন্নাথ রায় চৌধুরী, শক্তিপদ ব্রহ্মচারী এবং... »
বরাক বাঁধের বিরুদ্ধে

বন্ধুরা, দেখছি যে এখানে বড় বাঁধ নিয়ে বিত্ররক বেশ জমে উঠেছে।আমিও তাই আমার এক পূর্ব প্রকাশিত লেখা এখানে আপনাদের পড়াবার লোভ সামলাতে পারছিনাঃ ১৯৫৪ তে প্রথম টিপাইমুখ বাঁধ তৈরির সিদ্ধান্ত হয় । জাপানি কারিগরি সহায়তা কাজে লাগিয়ে বাঁধটি তৈরি হবে ঠিক হয়েছিল। তখনকার মূল্যে খরচ ধরা হয়েছিল আনুমানিক ১,০৯৭কোটি টাকা। এখনকার মূল্যে প্রায় ৪,৮৮২ কোটি... »
পূর্বোত্তরের মানুষের বিরুদ্ধে এক কলকাতাবাসির বর্ণবাদী বিদ্বেষঃ প্রতিবাদ করুন !!!
বন্ধুরা, ভারতের মূল ভুখণ্ডে বসে আমাদের পূর্বোত্তর ভারত সম্পর্কে কিছু লোক কেমন নিকৃষ্ট ধারনা পোষণ করে তার এক নমুনা বিনা মন্তব্যে এখানে হুবহু তুলে দিলাম। আমি আশা করছি কফি হাউসের বন্ধুরা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবেন!!! আপনাদের এই প্রতিবাদ পূর্বোত্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেবার দায়িত্ব আমার! NE Girls and Delhi – Rina Dutta November 6th, 2009 Source: Assam... »

