﻿<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>কফি হাউসের আড্ডা &#187; অনুবাদ</title>
	<atom:link href="http://coffeehouseradda.com/blog/category/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://coffeehouseradda.com</link>
	<description>বাঙালীর ব্লগ-আড্ডা</description>
	<lastBuildDate>Wed, 08 Sep 2010 06:29:35 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>অসমে রাষ্ট্রীয় নাগরিক পঞ্জি: সন্দেহ আর শংকা</title>
		<link>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/3507</link>
		<comments>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/3507#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 29 Aug 2010 18:40:24 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সুশান্ত</dc:creator>
				<category><![CDATA[অনুবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবন্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সমসাময়িক]]></category>
		<category><![CDATA[সমাজ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://coffeehouseradda.com/?p=3507</guid>
		<description><![CDATA[<a href=http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/3507><img src=http://coffeehouseradda.com/files/2010/08/324367_f520.jpg class=imgtfe hspace=5 align=left width=100  border=0></a>                                        মূল অসমিয়া আব্দুল সালাম * 
          [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>      <a href="http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/3507/324367_f520" rel="attachment wp-att-3508"><img src="http://coffeehouseradda.com/files/2010/08/324367_f520.jpg" alt="324367_f520" width="520" height="759" class="alignleft size-full wp-image-3508" /></a>                                  মূল অসমিয়া আব্দুল সালাম * </p>
<p>                   ছ’বছরের ভূমিকম্পের শেষ ধাক্কাটিও ১৯৮৫ র ১৫ আগষ্টে সম্পাদিত অসম চুক্তির সঙ্গে সঙ্গে থেমে গেছিল। অসমের মানুষ ধীরে ধীরে অনুভব করলেন বিদেশি সমস্যা আর বিদেশি খেদা আন্দোলনের  প্রকৃত চরিত্র। সাম্প্রদায়িকতা আর উগ্র জাতীয়তাবাদের থেকে জন্ম নেয়া ফ্যাসিজমের ধার কমতে শুরু করল, কিন্তু তাতে খুশি  নয় সংঘ পরিবার, রাজনৈতিক দল বিজেপি আর তাদের সমভাবাপন্ন দলগুলো ।</p>
<p>                 অসমে পূর্ববঙ্গীয় মূলের যেসব মুসলমানদের বৃটিশ তার ঔপনিবেশিক  স্বার্থেই আমদানি করে এনে বন-জংগল, নদী পাড়ের চরাঞ্চল আর অনুর্বর জমিতে বসিয়েছিল, সেই সব মানুষকেই আবারো শত্রু এবং বৃহৎ বাংলাদেশ বা ইসলামিস্তান সৃষ্টির ষড়যন্ত্রকারী বলে চিহ্নিত করে অহরহ তাদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত আরম্ভ হয়েছিল, সেই ষাটের দশকের থেকে। আগেকার অসম আন্দোলনের নেতৃত্ব প্রকৃত সত্য অনুধাবন করে এখন মৌনতা অবলম্বন করে বসে আছে, কিন্তু সাম্প্রদায়িক সাম্প্রদায়িক মনের অনেকে আইনের সাহায্যে হবে না জেনে মুসলমানদের ‘হাতে বা ভাতে’ মারবার জন্যে সভা-সমিতিতে প্রকাশ্যে আহ্বান জানাতে  শুরু করল।<br />
দরিদ্র নিরালম্ব মুসলমানেরা ঠেলা রিক্সা চালিয়ে, হোটেলের থালা বাসন ধুয়ে, নালা নর্দমা পরিষ্কার করে, বছরের হিসেবে চুক্তিতে হাল বেয়ে বা দিন মজুরি করে কোনোক্রমে পেটেভাতে টিকে ছিল। এদেরই কাউকে কাউকে উজান অসম বা অরুণাচলের মতো জায়গা থেকে তাড়িয়ে দিয়ে ভাতে মারবার ব্যাবস্থা হয়েছিল।  এই মুসলমানদের কেউ না ছিল  বিদেশি  না বাংলাদেশি। তারা ছিল ব্রহ্মপুত্রের ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থ এবং নৃগোষ্ঠিগত সাফাই অভিযানের (এথনিক ক্লিনজিঙে)  বলি ভারতীয় নাগরিক। এমন অমানবিক আর বেআইনি কাজকর্ম দেখেও এমনিতে যারা মানবাধিকার, আইনের শাসন, সংবিধানের কথা বলে কথার খৈ ফোটান তাদের মুখ রইল বন্ধ হয়ে।বৃহৎ অসমিয়া জাতির স্বার্থে কলম ধরে যারা বৌদ্ধিক নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন তাদেরকে কলম রইল বন্ধ হয়ে। যাদেরকে হৃদয়বান এবং অসমের চিন্তানায়ক বলে শ্রদ্ধা করা হয় তারাও রইলেন মৌন। ‘মৌনেনঃ সম্মতি লক্ষনম’। বেঁচে থাকবার দুর্বার  প্রবৃত্তিতে সেই সব শ্রমজীবী মানুষগুলো বৌ বাচ্চাকে লালন পালন করতে ভারতের নানা প্রদেশে দৌড়ে গেল। বিজেপি, শিবসেনা আর অন্যান্য উগ্রহিন্দুত্ববাদি সংগঠনগুলো সেখান থেকেও এই ভারতীয় মুসলমানদের তাড়িয়ে দিল। মহাপুরুষ শংকর দেবের অসাম্প্রদায়িক দর্শনের প্রচার করতে ব্যস্ত অসমের এক সংবাদপত্র এই দুর্ভাগা মুসলমানদের ‘বিষ্ঠা’ বলে ঘৃণাভরা লেখা ছাপালো। এমন কুকর্ম চলছেই , বন্ধ হয় নি।</p>
<p>        <a href="http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/3507/2938640884_66f189ffe5_o" rel="attachment wp-att-3509"><img src="http://coffeehouseradda.com/files/2010/08/2938640884_66f189ffe5_o.jpg" alt="2938640884_66f189ffe5_o" width="640" height="480" class="alignleft size-full wp-image-3509" /></a>         পূর্ববঙ্গীয় মূলের মুসলমানের ধর্মনিরপেক্ষতার মুখোস পরা কিছু সংগঠন আর হিন্দুত্ববাদি নেতা সংগঠনের আগ্রাসী কাজ কর্মে শংকিত হয়ে পড়ল। ধর্মনিরপেক্ষতা আর অসম –অসমিয়াদের স্বার্থে নিত্য মুখর সারা অসম ছাত্র সংস্থাকেও এমন অমানবিক কাজের বিরোধীতা করতে কখনো দেখাতো যায়ই নি, উল্টে দেখা গেল সমর্থন দিতে ।  এই ‘মিঞারা’ হয়ে গেলেন ‘বাংলাদেশি-ইসলামিস্তানের সৈনিক’ , ট্রেডমার্কধারী সফট টার্গেট। দুর্ভাগা এই মানুষগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার হিটলারের অধীনের দেশগুলোর ইহুদি এবং বিশ শতকের ষাটের দশক অব্দি আমেরিকার নিগ্রোদের মতো সমস্ত ক্ষেত্রে বৈষম্য, বঞ্চনা আর লাঞ্ছিত মানুষের মতো জীবন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। এদের মধ্যের কিছু মানুষ&#8211; যারা মন্ত্রী, এম এল এ, আধিকারিক ইত্যাদি হতে পেরেছেন তাদের অবস্থা জার্মান নাজি কনসেন্ট্রেশন কেম্পের ‘কাপো’ দের থেকে ভালো কিছু নয়। </p>
<p>                         এতো কিছুর পরেও এই মানুষগুলো ঘোর অন্ধকারের পরে আলোর জন্যে  বড় আগ্রহে পথ চেয়ে রইল। অসমে যে সমস্ত পূর্ববঙ্গ মূলের মুসলমান রয়েছেন তারা  সেই বৃটিশ যাদের পাঁচ টাকার ‘রেলওয়ে ফেমিলি টিকিটে’ পূববাংলা থেকে অসমে এনে বি-ফর্মে ( B-form) জমি আবন্টন দিয়ে বসিয়েছিল তাদের তৃতীয় পুরুষ বা বংশধর। এই মানুষগুলোকেই ভোতার লিস্টে নামভর্তীর জন্যে বারে বারে সরকারী আধিকারিকদের সামনে  লাইন দিতে হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, ন্যায়ালয়ের বিচারকের পরিবারের লোক, উকিল কিম্বা সরকারী কর্মচারীরাও রেহাই পেলেন না। ঠিক ইহুদি আর নিগ্রোদের মতৈ ডানদিকে পুরুষেরা আর মহিলারা বাঁদিকে।</p>
<p>                     উপযুক্ত নথিপত্র পরীক্ষার শেষে ভোটার লিস্ট তৈরি হলো, ছাত্র সংস্থা নারাজ। অভিযোগ উঠল লাখো লাখো বাংলাদেশির নাম ঢুকেছে। কোনো প্রাথমিক অনুসন্ধান না করেই প্রায় তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার নাগরিকের নামের পাশে সন্দেহজনক ভোটারের ( D-voter) ছাপ মেরে দেয়া হলো। মা-বাবা নয়, সন্তান হলো ডি-ভোটার। দাদা ভারতীয় নাগরিক , ছোট ভাই বোন হলো ডি-ভোটার।  সমকালীন রাজনৈতিক পরিবেশে বৈষম্যের নজির বিহীন ব্যবস্থাতে কিছু সংখ্যালঘু মানুষকে মানসিকভাবে পঙ্গু করে ফেলা হলো। পৃথিবীর আর কোনো দেশে কি কেউ শুনেছে এমন অদ্ভূৎ ব্যবস্থার কথা? </p>
<p>                        অসমে যে সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় নাগরিক পঞ্জি প্রস্তুতির ( উন্নীতকরণ) প্রকল্পকে এই পরিপ্রেক্ষিতে বিচার করতে হবে। অসমে এন আর সি প্রস্তুত করা হচ্ছে না , হচ্ছে নবীকরণ । ভিত্তি হবে ১৯৫১ সনের  নাগরিক পঞ্জি । অসম চুক্তির কোন দফাতেই বা ১৯৫১ সনের নাগরিক পঞ্জিকে ভিত্তি ধরার দলিল করা হয়েছে? এখন সেই অসম্পূর্ণ নাগরিক পঞ্জিকে ভিত্তির দলিল করা হলো কেন, সেইটেই লাখ টাকার প্রশ্ন।  কে দেবে তার উত্তর? কারই বা গরজ পড়েছে ! সমস্ত ষড়যন্ত্রের আঁচ পেয়েও ১৯৫১কে ভিত্তি বর্ষ ধরাতে কাউকে দেখা গেল না প্রতিবাদ করতে । সবাই যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। অসম চুক্তিতে যদিও ১৯৭১এর ২৮ মার্চের মাঝরাত অব্দি সময়কে নাগরিকত্বের ভিত্তি বছর ধরা হয়েছে, কার্যতঃ এখন ১৯৫১ সনকেই ভিত্তি বছর ধরা হলো। কারণ সরকার নিবন্ধনের জন্যে যে সব দরখাস্তের ফর্ম বিতরণ করেছে তার ১২ নং ঘরটিতে ১৯৫১ সনের নাগরিক পঞ্জির ক্রমিক নম্বর আর গৃহ সংখ্যা লেখাটা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর পরেই শুধু ১৯৭১, ১৯৬১ এবং তার আগের ভোটার তালিকার তথ্য দিয়ে ফর্মখানা ভরাতে হবে। এভাবেই বরপেটা আর ছয়গাঁও রাজস্ব চক্রে পরীক্ষামূলক প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। যঢ়যন্ত্র দিয়ে কত মানুষকে রাষ্ট্রহীন করা যায় তার পরীক্ষামূলক প্রকল্প।</p>
<p>                  উপরে উল্লেখিত দুটো রাজস্ব চক্রের মুসলমানেরা ১৯৫১ সনের নাগরিক পঞ্জিকে মূল প্রামাণ্য দলিল হিসেবে ঘোষণা করাতে কোনো আপত্তি করেন নি। এ নিয়ে তারা চিন্তিত নন। স্বাধীনতার আগে থেকে তাদের পূর্বপুরুষেরা এই এলাকাতে বাস করে আসছেন । তার নথিপত্র তাদের রয়েওছে।  তারা আশা করছেন রাষ্ট্রীয় নাগরিকপঞ্জিতে নাম নিবন্ধন করে ফটো পরিচয় পত্র পেয়ে গেলে এতো দিন ধরে তারা যে দুর্ভোগ ভোগে আসছেন তার অন্ত হবে। ফুরোবে যত সন্দেহ সংশয় ইত্যাদি। স্বাধীন নাগরিকের মতো থাকতে পারবেন ভারতের সর্বত্র।</p>
<p>                      কিন্তু,নাগরিকপঞ্জির ফর্ম , ১৯৫১সনের রাষ্ট্রীয় নাগরিকপঞ্জি আর ১৯৭১, ১৯৬১ সনের ভোটার তালিকা দেখে তাদের চোখ কপালে উঠবার জোগাড়। এদের মনে এক সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে, ভাবতে বাধ্য হয়েছে কোথাও একটা ষঢ়যন্ত্র হচ্ছে এই মানুষগুলোকে রাষ্ট্রহীন করবার। সাধারণ মুসলমানেরা এটা ভাবতে বাধ্য হলেন যে যে কাজটি ট্রাইবুনেল আর ন্যায়ালয় দিয়ে করা যায় নি, সেই কাজটিই এবারে সহজেই নাগরিকপঞ্জি দিয়ে করতে চাইছে স্বার্থান্বেষী মহল। </p>
<p>                 অসমের মুখ্য সচিব ২০০৫ সনের মে মাসে অনুষ্ঠিত ত্রিপাক্ষিক সভার পর নাগরিকপঞ্জি উন্নয়নের জন্যে যে কার্যপ্রণালী হাতে নিয়েছিলেন তাতে স্পষ্টভাবেই স্বীকার করেছিলেন যে অসমে বহু জেলাতেই ১৯৫১ সনের নাগরিক পঞ্জি এবং ১৯৬৬-৭১ ভোটার তালিকা আংশিকভাবেই আছে। জনগণ তাদের অসুবিধের কথা বিবেচনা করে নাগরিকত্বের দাবি সাব্যস্ত করতে যাতে অসুবিধে নাহয় তার জন্যে কেন্দ্রীয় সরকারকে বিকল্প গ্রহণযোগ্য নথির এক তালিকা তৈরি করবার দায়িত্ব দিয়েছিল। বিকল্প নথির তালিকা তৈরি করবার জন্যে কেন্দ্রীয় সরকারের পিল্লাই মশাই সময় করে উঠতে পারেন নি, এরই মধ্যে দরখাস্ত পেশ করবার শেষ তারিখ  ১০ আগষ্ট দোরগড়াতে এসে পৌঁছে যায়।</p>
<p>               পুনর্মূদ্রিত এন আর সি আর ভোটার তালিকাগুলোতে এমন কিছু ভুল থেকে গেছে যে গুলোকে সবাই  উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আর ষঢ়যন্ত্রমূলক বলে  ভাবতে বাধ্য হচ্ছেন। সাধারণ মানুষ নানা সময়ে নানা প্রয়োজনে বরপেটা পুলিশ অধীক্ষক এবং জেলা নির্বাচন আধিকারিকের থেকে ১৯৫১ সনের নাগরিকপঞ্জি আর ১৯৬৬-৭১ সনের ভোটার তালিকার কপি সংগ্রহ করেছিল। বর্তমানের জেলা নিবন্ধক ( জেলা শাসক) সেগুলোকে যখন আবার ছেপে প্রকাশ করেছেন তখন দেখা গেল তাতে সেই সব মানুষের নাম নেই। তার উপর আগেই সংগ্রহ করা এন আর সি-র  প্রতিলিপিতে  যার ক্রমিক নম্বর ছিল ৩৭৮, এখন প্রকাশ করা প্রতিলিপিতে তার ক্রমিক নম্বর হচ্ছে ১৭৮। মাঝের দুশো নম্বর গেল কৈ ? কতকগুলোর শুধু ক্রমিক নম্বর আছে , নাম নেই। নাম লেখার জায়গাতে লেখা আছে ‘ উইতে খেয়েছে’ ( ঊঁয়ে খালে)। বাবার নামের জায়গাতে ‘অজ্ঞাত’, ‘অমুক’, ‘অমুকের বাবা’ ইত্যাদি। কোনো ক্রমিক নম্বরের জায়গাতে আছে ‘বাচ্চা’ ( কেঁচুয়া)। পাইলট প্রকল্পের জায়গাতে যেসব মানুষের ১৯৫১র আগেই জন্ম হয়েছে  তাদের জন্মস্থানের জায়গাতে লেখা আছে ময়মন সিংহ, ঢাকা, পূর্ব বা পশ্চিম পাকিস্তান ইত্যাদি। অথচ তাদের জন্ম ভারতে প্রমাণ করবার জন্যে সমস্ত উপযুক্ত নথিপত্র তাদের হাতে  রয়েছে। পুরুষের স্বামীর নাম বলে পুরুষের নাম আর মহিলার স্বামীর নাম বলে মহিলার নাম লেখা হয়েছে। বাবার বয়স ১০, ছেলের বয়স ৫০, মায়ের বয়স নিজের পেটের ছেলের চে’ কম লেখা হয়েছে। একই ক্রমিক নম্বর চার পাঁচজন কিম্বা চার পাঁচ পরিবারের নামের আগে লেখা রয়েছে। বেশ কিছু মুসলমান গ্রামকে হিন্দু গ্রাম বলে দেখানো হয়েছে। মুসলমান পরিবার হয়েছেন হিন্দু পরিবার। বরপেটা রাজস্ব চক্রের ২৪টি গ্রামের এন আর সি, ১১ টি গ্রামের ১৯৬৬র এবং ১২টি গ্রামের ১৯৭১ সনের ভোটার তালিকা পাওয়াই যাচ্ছে না। এমন অবস্থাতে ফর্মের ১২ নং ঘরটি তারা পূরণ করবেন কী করে? শুধুমাত্র ঘিলাজারি আর হাউলি মৌজার ১,৭০০টি পরিবার মূদ্রিত এন আর সি এবং ভোটার তালিকার থেকে বাদ পড়েছে । তিনশ বছরের প্রাচীন অসমিয়া মুসলমান মানুষের গ্রাম ( খিলঞ্জিয়া মুসলমান)  ভেল্লা । সেই ভেল্লারও এন আর সি পাওয়া যায় না বলে সংবাদ পত্রে বেরিয়েছে। ডিসি বাহাদুর মৌন, গৃহ সচিব, মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল সব্বাই মৌন, সদুত্তর নেই। </p>
<p>                    ডাঃ ভূমিধর বর্মন ( অসম চুক্তি রূপায়ণ মন্ত্রী) বিধান সভাতে ঘোষণা করলেন –১৯৫১ সনের এন আর সি, ১৯৬৬-৭১ সনের ভোটার তালিকাতে নাম না থাকলেও ‘পুরোনো মাটির দলিল’ দেখিয়েও এন আর সি-তে নাম নথিভূক্ত করতে পারা যাবে। বিজ্ঞপ্তি জারি করাবার দাবি জানাবার বেলা নির্বিকার হয়ে রইলেন। অসম মন্ত্রীসভার মন্ত্রী, জেলা শাসক, সারা অসম ছাত্র সংস্থা ইত্যাদির মৌখিক প্রতিশ্রুতিকে কেন্দ্রীয় সরকারের জারি করা Citizenship (Registration of Citizens and Issue of National Identity Card ) Amendments Rules,2009 বিধি কিম্বা আইন আদালত কতটা গুরুত্ব দেবে তা জানবার জন্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রির দরকার পড়ে না। </p>
<p>                  ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলেই ভয় পায়। মুসলমান মানুষ, কিছু সংগঠন, রাজনৈতিক দল এই সব অসুবিধেগুলো দূর করবার দাবি জানিয়ে নানা স্তরে আবেদন নিবেদন করতে শুরু করতেই এদেরকে শত্রু বলে ঠাউরে নিয়ে বিকারগ্রস্ত কিছু মানুষ আপত্তিকারীদের অসমের শত্রু, বাংলাদেশি ( মিঞা)র দালাল বলে চেঁচামেচি শুরু করে দিল। আপত্তির যে কিছু নায্যতা থাকতে পারে তার আভাস নেবার জন্যেও কোনো দরকার বোধ করে নি তারা যারা নিজেদের অসমের সয়ম্ভূ অভিভাবক বলে দাবি করে।</p>
<p>                     ১৯৫১ সনে অসমে লোকগণনা আয়োগের মুখ্য কর্তাব্যক্তি  ছিলেন আর এস ভাগাইওয়ালা, আই এ এস। তাঁর প্রতিবেদনে জানা গেল নেহরু-লিয়াকৎ চুক্তির ফলে যে ৬৮,৪৫১ জন মানুষ অসমে প্রত্যাবর্তন করেছেন তাঁদের নাম ইতিমধ্যে সমাপ্ত আর সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় নাগরিক পঞ্জিতে ওঠে নি। তারপর পাহাড়ি জেলাগুলো, ব্রহ্মপুত্রের চরগুলো, গোয়ালপাড়া আর কামরূপের একাংশ মুসলমানদের নাম এন আর সি-তে ওঠে নি। সেই মানুষগুলোর বেলা কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে  তার কোনো উত্তর নেই। এই সব মানুষেরা নিবন্ধনের জন্যে  ১২ নং ঘরে কী লিখবে? সবাই নিরুত্তর!<br />
মাঝখানে একবার দেওরিকুছিম দত্তাকুছিম ধাকালিয়াপাড়াম যুগীরপাম, দাবালিয়াপাড়া ইত্যাদি কিছু গ্রামের এন আর সি আর ভোটার তালিকা পাওয়া না গেলে  এলাকার বিভিন্ন সংগঠন, রাজনৈতিক দলগুলো যখন প্রতিবাদী কর্মসূচী হাতে নিয়েছিল , তখন সঙ্গে সঙ্গেই বরপেটার জেলা নিবন্ধন আধিকারিক এই পাঁচাখানা গাঁয়ের আগের বিশুদ্ধ আর সম্পূর্ণ এন আর সি বের করে দিলেন। চিঠি নং BA-NRC/2/2010/50Dt.12.07.2010  । অথচ এটিই  আগে পাওয়া যায় নি বলে জানানো হয়েছিল। সেই সঙ্গে তিনি আগের কিছু নথিপত্র নষ্ট করে দেবারও নির্দেশ দিলেন। আগে কেন এগুলো পাওয়া যায় নি তার কোনো কারণ জানানো হলো না। সাধারণ মানুষ বাক হয়ে ঘটনাক্রম লক্ষ্য করলেন, তাদের  ষঢ়যন্তের সন্দেহ আরো দৃঢ় হলো।<br />
নাগরিকত্ব দাবির জন্যে প্রতিশ্রুতি মতো বিকল্প নথির তালিকা নেই, এন আর সি নেই, ভোটার তালিকা নেই। তা হলে ১০ আগষ্টের ভেতরে আবেদনপত্র জমা দেন কী করে এই লোকগুলো?  জেলা নিবন্ধক সভা সমিতেতে বলে বেড়ান, “বিকল্প নথির তালিকার জন্যে যোগাযোগ করা হয়েছে। ভাবনার কিছু নেই। আপনারা দর্খাস্ত জমা দিন।”  লিখিত প্রতিশ্রুতি চাইলে তিনি চুপ মেরে যান। মানুষ মুখের কথাতে বিশ্বাস করেন না। মৌখিক কথাতে দর্খাস্ত দেয়ার মানেই হলো মরণ ফাঁদে পা দেয়া—মানুষের এই বিশ্বাসই আরো দৃঢ় হলো।</p>
<p>                       রাষ্ট্রীয় নাগরিকপঞ্জি উন্নীত করবার কাজে যে সব ভুল ত্রুটি দেখা দিয়েছে সেগুলো সংশোধন করবার জন্যে সে সংগঠন, দল বা ব্যক্তি দাবি জানালেন তাদের দমন করতে আখ্যা দেয়া হলো , ‘ বাংলাদেশির দালাল’, ‘অসম বিরোধী চক্র’ কিম্বা ‘অসমের শত্রু’। প্রতিবাদ করা চলবে না, যেভাবে বলা হয়েছে সেভাবেই দর্খাস্ত জমা দিতে হবে । আধিকারিক, মন্ত্রী আর তাদের চেলাচামুণ্ডারা বলে বেড়াচ্ছে যে , ভাবনা কিসের? পুরোনো মাটির দলিল থাকলেই হলো ! কেল্লা ফতে! লিখিত নোটিস দিতে বলতেই সব্বাই চুপ। সেরকম আধিকারিদের সংখ্যালঘু মানুষের বিশ্বাস করা মানেই হলো মৃত্যুর সমনে সহি করা। এমনটি ভাবা যে ভুল ছিল না সেটি পরে প্রমাণিত হলো।</p>
<p>              ২১ জুলাই তারিখে বরপেটাতে বেরুনো আমসুর প্রতিবাদি মিছিল এন আর সি উন্নীতকরণ বন্ধের  দাবিতে না সেইসব ভুলত্রুটিগুলো সংশোধনের দাবিতে ছিল সে কথা জানবার কারো কোনো গরজ দেখা গেল না।  চারজন প্রতিবাদীকে হত্যা এবং শতাধিক আহতের প্রতি নূন্যতম সমবেদনার গরজ নেই, তার বিপরীতে  প্রকৃত ঘটনাকে বিকৃত করে বিবৃতি দেয়া হলো আর তাতে  আক্রমণাত্মক ভাষার প্রোয়োগ করা হলো। ‘ ওরা বাংলাদেশি, কেন প্রতিবাদ করবে? এতো সাহস কোথায় পেল? কে উৎসাহিত করলে এদের?’ ইংগিতের আঙুল একবার দিসপুর আরেকবার হাতিগাঁওয়ের দিকে । হাতিগাঁওয়ের দিকে আঙুল দেখাবার অর্থ দুটো—এক হাতিগাঁও মানে জমিয়ত আর এ ইউ ডি এফ আরেকটি হাতিগাঁওয়ের ওপারে বাংলাদেশ। অতীতেত অসম আন্দোলনের সময়কার মানসিকতার পুনরাবৃত্তি ঘটল।</p>
<p>                   চারটা নিরীহ জীবন কেড়ে নেবার পর সরকার আপত্তির নায্যতা বুঝতে পেরে ভুল ত্রুটিগুলো সংশোধনের আশ্বাস দিয়েছে, নাগরিকপঞ্জি উন্নয়নের কাজ সাময়িক ভাবে স্তগিত রেখেছে। কিছু লোকের তাতে বিলম্ব সহ্য হচ্ছে না। স্তগিতকরণ চলবে না! ভুল নেই! ভুলত্রুটির কথা যারা বলছে তারা বাংলাদেশের দালাল! বাংলাদেশির কাছে আত্মসমর্পণ চলবে না! এরকম দাবিতে আবারো ৮৩র সেই আহ্বান জানাতে চাইছে।<br />
অসমের মানুষ এখন আবেগ সর্বস্ব না হয়ে যুক্তি তথ্য, তথ্য এবং অন্য পক্ষের আপত্তির কারণ জানবার জন্যেও আগ্রহী। এ একটি প্রশংসনীয় দিক বলে বিবেচিত হচ্ছে। ন্যায়-নিষ্ঠার ভিত্তিতে কোনো রাখঢাক না করে নাগরিকত্বের প্রমাণ দেবার সুবিধে দেয়া হোক। ন্যায়-নিষ্ঠার নীতিও এমনটি দাবি করে। সমাধান হোক –যাতে কোনো বিদেশির নাম অন্তর্ভূক্ত না হয় বা কোনো ভারতীয়ের নাম যেকোনো অজুহাতে কাটা না পড়ে সেটি দেখা উচিত। অসম এবং বৃহত্তর অসমিয়া জাতির স্বার্থে কথাগুলো সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করুক সবাই। আবেগের বদলে যুক্তিতে এগিয়ে যাক। যেভাবে তিরাশির আগুন মাড়িয়ে পার করে চলে এলাম , সেভাবেই সন্দেহ-শংকার এই দুর্ভাবনার থেকেও আমরা বেরিয়ে আসতে পারব। আঁধারের পর আলো আসবেই আসবে।</p>
<p>* লেখক অসমের নগাঁও জেলার  ধিং কলেজের অবসর প্রাপ্ত অধ্যাপক।  ফোনঃ ৯৮৩৫৩-৬০৬৯৬</p>
<a href="http://www.addtoany.com/add_to/google_bookmarks?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F3507&amp;linkname=%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%87%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%AA%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BF%3A%20%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B9%20%E0%A6%86%E0%A6%B0%20%E0%A6%B6%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%BE" title="Google Bookmarks" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/google.png" width="16" height="16" alt="Google Bookmarks"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/orkut?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F3507&amp;linkname=%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%87%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%AA%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BF%3A%20%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B9%20%E0%A6%86%E0%A6%B0%20%E0%A6%B6%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%BE" title="Orkut" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/orkut.png" width="16" height="16" alt="Orkut"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F3507&amp;linkname=%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%87%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%AA%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BF%3A%20%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B9%20%E0%A6%86%E0%A6%B0%20%E0%A6%B6%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%BE" title="Twitter" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/twitter.png" width="16" height="16" alt="Twitter"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F3507&amp;linkname=%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%87%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%AA%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BF%3A%20%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B9%20%E0%A6%86%E0%A6%B0%20%E0%A6%B6%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%BE" title="Facebook" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/facebook.png" width="16" height="16" alt="Facebook"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/yahoo_bookmarks?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F3507&amp;linkname=%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%87%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%AA%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BF%3A%20%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B9%20%E0%A6%86%E0%A6%B0%20%E0%A6%B6%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%BE" title="Yahoo Bookmarks" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/yahoo.png" width="16" height="16" alt="Yahoo Bookmarks"/></a> <a class="a2a_dd addtoany_share_save" href="http://www.addtoany.com/share_save?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F3507&amp;linkname=%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%87%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%AA%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BF%3A%20%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B9%20%E0%A6%86%E0%A6%B0%20%E0%A6%B6%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%BE"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/share_save_120_16.png" width="120" height="16" alt="Share/Bookmark"/></a>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/3507/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>3</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বঙ্গীয় নবজাগরণ প্রসঙ্গে</title>
		<link>http://coffeehouseradda.com/blog/arnabdutta/3379</link>
		<comments>http://coffeehouseradda.com/blog/arnabdutta/3379#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 07 Aug 2010 14:28:05 +0000</pubDate>
		<dc:creator>অর্ণব দত্ত</dc:creator>
				<category><![CDATA[অনুবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবন্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[ব্লগাড্ডা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার নবজাগরণ]]></category>
		<category><![CDATA[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]></category>
		<category><![CDATA[সি. এফ. অ্যান্ড্রুজ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://coffeehouseradda.com/?p=3379</guid>
		<description><![CDATA[(অ্যান এসে অন দ্য বেঙ্গল রেনেসাঁ)
চার্লস ফ্রিয়র অ্যান্ড্রুজ
অনুবাদ: অর্ণব দত্ত
এক
শতবর্ষ পূর্বের বঙ্গীয় নবজাগরণের ধারাটি ষোড়শ শতকের পাশ্চাত্য ইউরোপীয় রেনেসাঁ-চেতনার সঙ্গে আশ্চর্য সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই মানুষের ইতিহাসে তার ফলস্রুতিও কিছু কিছু ক্ষেত্রে একই প্রকারের। কারণ, সেদিন যেমন ইউরোপ নতুন জীবনে উদ্বুদ্ধ হয়ে জেগে উঠেছিল, ঠিক তেমনই জেগে উঠছে আজকের এশিয়া।
অন্ধকার যুগের বৌদ্ধিক অসাড়তা কাটিয়ে আরব সভ্যতা ও [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>(অ্যান এসে অন দ্য বেঙ্গল রেনেসাঁ)</p>
<p>চার্লস ফ্রিয়র অ্যান্ড্রুজ</p>
<p>অনুবাদ: অর্ণব দত্ত</p>
<p>এক</p>
<p>শতবর্ষ পূর্বের বঙ্গীয় নবজাগরণের ধারাটি ষোড়শ শতকের পাশ্চাত্য ইউরোপীয় রেনেসাঁ-চেতনার সঙ্গে আশ্চর্য সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই মানুষের ইতিহাসে তার ফলস্রুতিও কিছু কিছু ক্ষেত্রে একই প্রকারের। কারণ, সেদিন যেমন ইউরোপ নতুন জীবনে উদ্বুদ্ধ হয়ে জেগে উঠেছিল, ঠিক তেমনই জেগে উঠছে আজকের এশিয়া।</p>
<p>অন্ধকার যুগের বৌদ্ধিক অসাড়তা কাটিয়ে আরব সভ্যতা ও ইসলামীয় ধর্মবিশ্বাস পাশ্চাত্য জগতকে চমকিত করেছিল। ইউরোপের ক্ষেত্রে সেই ঘটনা ছিল আঘাতস্বরূপ। আর তারপরেই গ্রিক ও লাতিন ধ্রুপদী সাহিত্যের পুনরুদ্ধার তথা খ্রিস্টীয় ধর্মশাস্ত্রের নবতর ব্যাখ্যা একত্রে সেখানে নিয়ে আসে এক পরিপূর্ণ সংস্কার ও নবজাগরণ। </p>
<p>বঙ্গদেশে পাশ্চাত্য সভ্যতাই চমকিত করেছিল প্রাচ্যকে – তাকে উজ্জীবিত করেছিল এক নতুন জীবনে; চালিত করেছিল এক অত্যাশ্চর্য পুনর্জাগরণের পথে। এর পরই পুনরুজ্জীবিত হয়ে ওঠে ধ্রুপদী সংস্কৃত সাহিত্য; প্রাচীন ধর্মগুলির মধ্য থেকেই সাধিত হয় সেগুলির সংস্কার। এই দুই চালিকাশক্তি একযোগে বঙ্গীয় নবজাগরণকে এশিয়ার এক জীবন্ত শক্তিতে পরিণত করে। বঙ্গদেশের অভ্যন্তরে সাহিত্য ও শিল্প-আন্দোলন প্রতিভাত হয় সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসাবে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হন তার রাজমুকুট।</p>
<p> </p>
<p>দুই</p>
<p>ঊনবিংশ শতকের প্রথম পাদে বঙ্গদেশের এক জ্বলন্ত প্রশ্ন ছিল ইংরেজি ভাষার বিস্তারকে উৎসাহ দান করা উচিত কিনা। ১৮৩৫ সালে ম্যাকাউলির বিখ্যাত মিনিট বা সভাবিবরণীটিতে ইংরেজি ভাষা প্রতিষ্ঠিত হয় উচ্চশিক্ষার মাধ্যম হিসাবে। স্যার জন সিলে লিখেছেন, ‘বিশ্বে ইতিপূর্বে কখনও অধিক গুরুত্বপূর্ণ কোনও প্রশ্ন আলোচিত হয়নি।’ কথাটি লক্ষণীয়। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়টি সম্পর্কে অবগত না থাকলে কেবলমাত্র বঙ্গদেশ নয়, বরং প্রাচ্যের সকল দেশের অধিবাসীদের নিকটেই প্রসঙ্গটি দুর্বোধ্য এক অতিরঞ্জন মনে হতে বাধ্য।</p>
<p>ম্যাকাউলি যদিও জয়ী হয়েছিলেন; তথাপি তাঁর কয়েকটি সূত্র ছিল অযৌক্তিক ও যথার্থতারহিত। ধ্রুপদী সংস্কৃত সাহিত্যের উপর বর্ষিত হয় তাঁর ঘৃণা। বাংলা সাহিত্য তাঁর চোখে ছিল নিষ্ফলা। এই ধরনের মন্তব্য করে তিনি এক মর্মান্তিক ভুল করেন। অবশ্য আশ্চর্যের কথা এই যে, ঐরূপ সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি সত্ত্বেও তাঁর বাস্তববাদী অন্তর্দৃষ্টি তাৎক্ষণিকভাবে খুব একটা ভ্রান্ত ছিল না। স্বদেশী পুনর্জাগরণের সেই মুহুর্ত আসলে তখনও আসেনি। প্রয়োজন ছিল বাইরের এক প্রচণ্ড আঘাতের আর সেই প্রয়োজনীয় আঘাতটি হেনেছিল ইংরেজি শিক্ষা।</p>
<p>কিন্তু প্রথম যুগে প্রাপ্ত এই নবজীবন সর্বতোভাবে স্বাস্থ্যকর ছিল না। সহিংস চরম অবিবেচক পথে প্রথমেই তা আঘাত করল প্রাচীন রীতিনীতিগুলিকে; মূলচ্ছেদ করল ধর্মীয় বিশ্বাসসমূহের। সর্বাপেক্ষা গুরুতর বিশৃঙ্খলা দেখা দিল সামাজিক স্তরে। যে অভ্যাসগুলি একান্তই পশ্চিমি, সেগুলির অন্ধ অনুকরণ করতে গিয়ে জন্ম নিল এক দুঃখজনক আদর্শগত বিভ্রান্তি। মেধাবী অকালপক্কতার এই যুগে নয়া জীবনীশক্তি নিয়ে নানাপ্রকার অলীক পরিকল্পনা চলত। তা ছিল স্বেচ্ছাচারী ও উচ্ছৃঙ্খল – কতকটা ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সমুদ্রে হালভাঙা নৌকার মতো।</p>
<p> </p>
<p>তিন</p>
<p> যে অবিস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব বঙ্গদেশকে এই সংকট থেকে উদ্ধার করেন তিনি মহামতি রাজা রামমোহন রায়। এই অসামান্য মেধাসম্পন্ন মণীষী ছিলেন সমসাময়িককালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এক রাজর্ষি। সেযুগে তাঁর সমকালীনদের অতিক্রম করে এই রাজকীয় প্রতিভা প্রত্যেকটি দ্রুত প্রবহমান নতুন চিন্তাধারার যথাযথ মূল্যায়ন করেন এবং নিজেকে পরিচালিত করে নিয়ে যান প্রায়-নির্ভুল এক আচারপরায়ণতায়। ম্যাকাউলির সমান বাস্তববোধসম্পন্ন রামমোহন অবশ্য কোনও সাধারণ সুযোগসন্ধানী ছিলেন না। তিনি ছিলেন সত্যকার ভবিষ্যদ্রষ্টা; তাঁর মধ্যে ছিল মহাপুরুষোচিত পরম উদ্যমের এক পবিত্র আগুন। বিদ্যাচর্চার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন প্রথম যুগের নব্য পাশ্চাত্যশিক্ষার সক্রিয় পথপ্রদর্শক। ম্যাকাউলির কর্মসূচি তিনি আগ্রহের সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে চলেন। কিন্তু তাঁর সেই বিস্ময়কর পূর্ণজীবনের শ্রেষ্ঠ কৃতিত্ব হল বাঙালি জাতির মনে ভারতের অতীত সম্পর্কে এক সত্য শ্রদ্ধাবোধের পুনরুজ্জীবন। পরবর্তীকালে যা এদেশের ধ্রুপদী সংস্কৃত সাহিত্যেরও পুনরুজ্জীবন ঘটায়। সর্বোপরি, তাঁর মাতৃভাষা বাংলাকে তিনি অবজ্ঞা করেননি, বরং বিদ্যাচর্চার ক্ষেত্রে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেন তাকে।</p>
<p> </p>
<p>চার</p>
<p>বঙ্গদেশের বৌদ্ধিক পুনর্জাগরণের পরবর্তী অবিস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন রবীন্দ্রনাথের পিতা দেবেন্দ্রনাথ। প্রায় অর্ধশতাব্দীকাল স্থায়ী হয়েছিল তাঁর কর্মপ্রভাব। এই সাহিত্যবৃক্ষের ভূগর্ভস্থ মূল যদি হন রামমোহন রায়, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর তবে তার সুদৃঢ় তেজদৃপ্ত কাণ্ডস্বরূপ এবং তাঁর পুত্র রবীন্দ্রনাথ সে-বৃক্ষের ফুল ও ফল। সাহিত্যের ইতিহাসে এমন প্রত্যক্ষ পারম্পর্য সচরাচর দৃষ্ট হয় না।</p>
<p>দেবেন্দ্রনাথের ধর্মীয় চরিত্র সমসাময়িক যুগকে তাঁর স্বকীয় নীতিবোধের মহিমায় মহিমান্বিত করেছিল। তাঁর আধ্যাত্মিক কর্তৃত্বের প্রভাব এতই গভীর ছিল যে সর্বসাধারণ্যে তিনি মহর্ষি নামে প্রসিদ্ধি লাভ করেন। ইংরেজি ফ্যাসানের প্লাবনের যুগেও তিনি প্রাচীন ঐতিহ্যসূত্রগুলিকে আঁকড়ে ধরে থাকেন এবং স্বদেশকে তার নিজস্ব ইতিহাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে এরূপ বন্ধনগুলিকে শক্তিশালী করে তোলেন।</p>
<p>পুত্রদ্বারা অনূদিত তাঁর আত্মজীবনীতে প্রকাশিত হয় আধুনিক বঙ্গদেশের গভীর অধ্যাত্মশক্তি তথা বৌদ্ধিক জ্ঞানলাভের জন্য তাঁর অদম্য পিপাসার কথা। ঠাকুর পরিবার ইতিপূর্বেই আকর্ষিত হয়েছিল রাজা রামমোহন রায়ের বৃত্তের প্রতি। বাল্য থেকে যৌবনে নিজের জীবনে এই মহান সংস্কারকের অমলিন স্মৃতি দেবেন্দ্রনাথের জীবনের অন্যতম পাথেয় প্রতিপন্ন হয়।</p>
<p>ঊনবিংশ শতকের মধ্যভাগে এই সকল প্রারম্ভিক আন্দোলন বঙ্গদেশের বৌদ্ধিক ইতিহাসে এক সৃষ্টিশীল পর্যায়ের সূচনা ঘটায়; যা শুধু বঙ্গীয় নবজাগরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, সমগ্র প্রাচ্যের নিকট নবযুগের সূর্যোদয় রূপে প্রতিভাত হয়।</p>
<p> </p>
<p>পাঁচ</p>
<p>যে চিহ্নটি বঙ্গদেশের এই নবজাগরণের উপর জ্বাজল্যমান, তা হল নব্য পাশ্চাত্য শিক্ষা ও পুনরুজ্জীবিত ধ্রুপদী সংস্কৃত সাহিত্যের মধ্যকার দ্বন্দ্বের চিহ্ন। এযুগের লেখকদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা মনোহর তথা ক্ষণস্থায়ী কুসুমটি হলেন তরু দত্ত। তরু দত্ত কেবল ইংরেজি ভাষাতেই গান রচনা করতেন। কিন্তু তাঁর সামগ্রিক সাহিত্যকর্মে পরিব্যপ্ত প্রাচীন সংস্কৃতের সুবাস তাকে পরিণত করে এক জাতীয় সম্পদে। মাইকেল মধুসূদন দত্তও ইংরেজিতে কাব্যরচনা শুরু করেন; কিন্তু সেই সাহিত্যিক সক্ষমতার চূড়াতে অবস্থানকালেই তিনি ইংরেজি ভাষা পরিত্যাগ করে কাব্যরচনা শুরু করেন আশ্চর্য সুনাদিত ও রাজসিক বাংলা ছন্দে। তাঁকে বলা হয় পুনর্জাগরিত বঙ্গদেশের মিলটন। বঙ্কিমের উপন্যাসগুলি প্রতি মুহুর্তে মনে করিয়ে দেয় পাশ্চাত্য রোম্যান্স সাহিত্যিকদের কথা। নব্যবঙ্গের নবলব্ধ সম্পদের আনন্দই যে এগুলির আবির্ভাবের পশ্চাদে বিদ্যমান, তা অনুমান করতে কোনও ভুল হয় না আমাদের।</p>
<p>এই ইংরেজি শিক্ষার প্রতি এ যুগের আকর্ষণ বা নিষ্ঠা যতই থাকুক না কেন, অন্তরে তাঁরা ছিলেন প্রাচীন ভারতীয় আদর্শের প্রতি সত্যবদ্ধ। এই পর্যায়ের শক্তি নিহিত ছিল এখানেই – যে পাথরে তাঁরা নিজেরা খোদিত ছিলেন, সেই পাথর তাঁদের কাছে ছিল অতি সুপরিচিত। নিজেদের জন্মগত অধিকারকে তাঁরা ঘৃণা করতেন না। শুধু ভাষাই নয়, সাহিত্যের নতুন বিষয়ও তাকে নিয়ে আসে মানুষের সন্নিকটে। পশ্চাদপদ গ্রামীণ বঙ্গদেশের জীবন স্থাপিত হয় এক নতুন উপলব্ধির কেন্দ্রে। শুধু বিষয়বস্তুর খাতিরে তার দেহে সংস্থাপিত হয় মধ্যযুগীয় বা প্রাচীন উপাদান। অবশেষে মানুষের মনে জেগে ওঠে এক সার্বভৌম আদর্শচেতনা। স্বদেশী কাব্য ও সংগীতধারার জীবন্ত প্রস্তরের মধ্য থেকে সৃষ্টি হয় প্রকৃত জাতীয় সাহিত্য ও শিল্প।</p>
<p> </p>
<p>ছয়</p>
<p>অতীতের এই সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের মধ্যে প্রবেশ করেন যুবক কবি রবীন্দ্রনাথ। এই আদর্শচেতনাটিকে বঙ্গদেশের এক জ্বলন্ত উদাহরণে পরিণত করতে সর্বাধিক শ্রমদান করেন তিনিই। আমার এক বন্ধু আমকে একটি ঘটনার কথা বলেছিলেন। একবার প্রবীণ ঔপন্যাসিক বঙ্কিমকে মালা পরিয়ে সম্মানিত করা হয়। বৃদ্ধ মালাটি নিজের গলা হতে খুলে নিয়ে তাঁর পদতলে উপবিষ্ট নবীন সাহিত্যস্রষ্টা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গলায় পরিয়ে দেন সেটি।</p>
<p>বঙ্কিমের একাজ আজ সর্বসাধারণের দৃষ্টিতে তাঁর বদান্যতা ও যাথার্থ্যবোধের পরিচায়ক রূপে গণ্য হয়। যে উচ্চতা অর্জনে অন্যরা প্রাণপাত করছিলেন, অলঙ্ঘনীয় বাধার মধ্যেও রবীন্দ্রনাথ তাঁর সর্বোচ্চ মেধার স্বচ্ছন্দ আয়াসে সেখানে উন্নীত হন। যে শিল্পাদর্শ পূর্বে ধোঁয়াশাচ্ছন্ন ছিল, মানসচক্ষে তা তিনি দেখতে পান সুষ্পষ্ট। এছাড়াও পরবর্তীকালের রচনাগুলির মাধ্যমে তিনি তাঁর পিতৃদেবের অধ্যাত্মব্রতকে এগিয়ে নিয়ে চলেন; সহজ সুন্দরের আবরণে আবরিত করেন তাঁর স্বকীয় ধর্মচেতনাকে।</p>
<p>সাম্প্রতিক বছরগুলিতে তাঁর খ্যাতি লাভ করেছে পরিপূর্ণতা; তাঁর কাব্যে দেখা দিয়েছে দিব্যপ্রেরণার বৈশিষ্ট্য। প্রকৃতির কোলে সীমাহীন আনন্দের তুরীয় অবস্থান থেকে বেরিয়ে তিনি প্রবেশ করেছেন জগতের বিপুল দুঃখরহস্যে; দরিদ্রের বোঝার ভার ভাগ করে নিতে; অবিচল থেকে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে; ঈশ্বরের নির্মেঘ দৃষ্টির অনুসন্ধান করতে, তাকে অর্জন করতে।</p>
<p> </p>
<p>সাত</p>
<p>এ সব কিছুর মধ্যেই রবীন্দ্রনাথ অবস্থান করেন বঙ্গদেশের হৃদয়ের অত্যন্ত নিকটে। ১৯১২ সালে যখন ওঁর কাছে ছিলাম, তখন দেখতাম শান্তিনিকেতনের ছেলেদের প্রীতিসম্ভাষণের জন্য কিভাবে তাঁর চোখ যেন সমুদ্র পেরিয়ে ছুটে চলত। শিলাইদহে গাঁয়ের মানুষগুলির মাঝেও ফিরে আসতে চাইতেন তিনি; তাদের কাছে তিনি ছিলেন পিতা ও সুহৃদ।</p>
<p>বঙ্গদেশের মাটি থেকে তিনি গ্রহণ করেছিলেন তাঁর গভীরতম অনুপ্রেরণা। তাই সেই বঙ্গদেশ যখন তাঁর সংগীতাভিসারের উচ্চ চেতনাধারায় অনুরণিত হয়, তখন তাতে আশ্চর্যান্বিত হওয়ার কিছুই থাকে না। স্বদেশবাসীর আশাকে উজ্জীবিত করে ইতিহাসের এক অমোঘ মুহুর্তে তিনি তাদের দিয়েছেন ভাবসঞ্জীবনী। শিল্প-সংগীতের দেশে,</p>
<p>     বৃহৎ বিশ্বের অন্তর্যামী সত্ত্বা</p>
<p>     অনাহতের স্বপ্নে</p>
<p>অবশেষে তাঁর কাব্যের মধ্যে ও মাধ্যমে খুঁজে পেয়েছে অন্তর্দৃষ্টি। আজ বঙ্গদেশ যে স্বপ্নে বিভোর, হয়ত তার সমস্তটা পূর্ণ হবে না কোনওদিন।</p>
<p>        উচ্ছ্বাস কলরোল ফুরাবে</p>
<p>       হারিয়ে যাবে নেতা ও নৃপতির দল</p>
<p> সাহিত্য ও সাম্রাজ্য – উভয়ের রঙ্গমঞ্চ থেকেই। কিন্তু সংগীত নামক মহৎ মাধ্যমটির দ্বারা উজ্জীবিত গণশক্তি আশান্বিত হয়ে নিনাদিত হবে। আজ নরনারী এমনকি শিশুরাও রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিতে ‘সোনার বাংলা’র স্বরূপটি অনুধাবন করতে সক্ষম।</p>
<p> এই শুভ স্বরূপটি উজ্জ্বল ও দীপ্তিমান। আর এক সসম্ভ্রম পূতচেতনা তার মধ্যে নিহিত যে ঈশ্বর তাঁর সন্তানদের ত্রাণের নিমিত্ত আবিভূর্ত হয়েছেন।</p>
<p> আপামর জনসাধারণের মধ্যে সংগীত ও সাহিত্যের সর্বোচ্চ শক্তির সাহায্যে এই নতুন চেতনাশক্তির জাগরণ পাশ্চাত্য দৃষ্টিতে কিছু অসম্ভব মনে হলেও, একথা অবশ্য স্মর্তব্য যে ভারত আজও অরূপের প্রতি রূপের আস্থায় বিশ্বাসী; যেমন অন্তরের গভীরে, তেমনই বহিরঙ্গে॥</p>
<p> </p>
<p>(লেটারস টু আ ফ্রেন্ড – রবীন্দ্রনাথ টেগোর’স লেটারস টু সি এফ অ্যান্ড্রুজ গ্রন্থের সূচনাভাগ থেকে অনূদিত)</p>
<a href="http://www.addtoany.com/add_to/google_bookmarks?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Farnabdutta%2F3379&amp;linkname=%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%A3%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87" title="Google Bookmarks" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/google.png" width="16" height="16" alt="Google Bookmarks"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/orkut?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Farnabdutta%2F3379&amp;linkname=%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%A3%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87" title="Orkut" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/orkut.png" width="16" height="16" alt="Orkut"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Farnabdutta%2F3379&amp;linkname=%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%A3%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87" title="Twitter" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/twitter.png" width="16" height="16" alt="Twitter"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Farnabdutta%2F3379&amp;linkname=%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%A3%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87" title="Facebook" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/facebook.png" width="16" height="16" alt="Facebook"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/yahoo_bookmarks?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Farnabdutta%2F3379&amp;linkname=%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%A3%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87" title="Yahoo Bookmarks" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/yahoo.png" width="16" height="16" alt="Yahoo Bookmarks"/></a> <a class="a2a_dd addtoany_share_save" href="http://www.addtoany.com/share_save?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Farnabdutta%2F3379&amp;linkname=%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%A3%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/share_save_120_16.png" width="120" height="16" alt="Share/Bookmark"/></a>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://coffeehouseradda.com/blog/arnabdutta/3379/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>6</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলা উইকিপিডিয়া খুঁজছে &#8230; আপনাকেই!</title>
		<link>http://coffeehouseradda.com/blog/jayantanth/3172</link>
		<comments>http://coffeehouseradda.com/blog/jayantanth/3172#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 14 Jul 2010 16:14:57 +0000</pubDate>
		<dc:creator>জয়ন্ত নাথ</dc:creator>
				<category><![CDATA[অনুবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[উইকিপিডিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা উইকিপিডিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বকোষ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://coffeehouseradda.com/?p=3172</guid>
		<description><![CDATA[বাংলা উইকিপিডিয়া (bn.wikipedia.org) হলো বাংলা ভাষায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্বকোষ গড়ে তোলার এক মহাপ্রয়াস। আজ পাঁচ বছর ধরে বাংলাতে বিশ্বকোষ লেখার কাজ চলেছে,  ছাপা হয়েছে অনেক বিশ্বকোষ। কিন্তু অধিকাংশ বিশ্বকোষেই স্বল্প কিছু ভুক্তি স্থান পেয়েছে, কিন্তু স্থান পায়নি স্থানীয়ভাবে বাংলার ইতিহাসের অনেক কথা, আমাদের ঐতিহ্যের অনেক কিছু। অথবা, বাংলার উপরে লেখা বিশ্বকোষে স্থান পায়নি বিশ্বের অন্য [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><span style="font-size: small"><a href="http://bn.wikipedia.org/" target="_blank">বাংলা উইকিপিডিয়া</a> (bn.wikipedia.org) হলো বাংলা ভাষায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্বকোষ গড়ে তোলার এক মহাপ্রয়াস। আজ পাঁচ বছর ধরে বাংলাতে বিশ্বকোষ লেখার কাজ চলেছে,  ছাপা হয়েছে অনেক বিশ্বকোষ। কিন্তু অধিকাংশ বিশ্বকোষেই স্বল্প কিছু ভুক্তি স্থান পেয়েছে, কিন্তু স্থান পায়নি স্থানীয়ভাবে বাংলার ইতিহাসের অনেক কথা, আমাদের ঐতিহ্যের অনেক কিছু। অথবা, বাংলার উপরে লেখা বিশ্বকোষে স্থান পায়নি বিশ্বের অন্য এলাকার কথা, বা জ্ঞান বিজ্ঞানের কথা। আর এই সব বিশ্বকোষের মোটা মোটা সব বইগুলো লাইব্রেরিতে, অথবা বড়লোকদের বাড়িতে স্থান পেয়েছে। জনমানুষের কাছে সহজলভ্য একটি বিশ্বজনীন জ্ঞানকোষ আজও পৌছানো যায় নি।</span></p>
<p>কিন্তু এই তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধাকে সমস্ত স্তরের মানুষদের কাছে পৌছে দিতে হবে । আর সেটা করা সম্ভব কম্পিউটারে মাতৃভাষা ব্যবহারের মাধ্যমে । গ্রামে গ্রামে শুধু কম্পিউটার আর ইন্টারনেট পৌছে দিলেই হবে না । ইন্টারনেটে যদি বাংলা ভাষায় পড়ার মত উপযুক্ত বিষয় না থাকে তাহলে কখনই আমাদের তথ্যপ্রযুক্তিকে সর্বস্তরে পৌছে দেওয়ার স্বপ্ন সফল হবে না । তাই বাংলার সাধারন মানুষের হাতে পৌছে দিতে হবে জগতের সব তথ্য । আমাদেরই মাতৃভাষায় &#8211; বাংলা ভাষায় ।</p>
<p>ইতিহাস, ভূগোল, বিজ্ঞান, দর্শনশাস্ত্র, ভাষাবিজ্ঞান, গণিত, প্রভৃতি বিষয়ের সঙ্কলন হল বিশ্বকোষ । অর্থাৎ বিশ্বকোষ এমন একটি জিনিস যাতে সমস্ত কিছুর উপরেই তথ্য পাওয়া যেতে পারে । কিন্তু বাংলায় লেখা আধুনিক এবং সম্পূর্ণ বিশ্বকোষের অভাব রয়েছে । আর তার দামও বিশাল । অধিকাংশ মানুষের পক্ষেই তা কেনা সম্ভব নয় । আর এই বাংলা বিশ্বকোষের বদলে পড়া যেতে পারে ইংরাজি বিশ্বকোষ যেমন এনকার্টা, বা ব্রিটানিকা । এখন যাঁদের ইংরাজি জ্ঞান কম তাঁদের পক্ষে এগুলি পড়া সম্ভব নয় । আর ইংল্যান্ড বা আমেরিকা থেকে প্রকাশিত হওয়ার জন্য এগুলিতে ভারতীয় বা বাংলার বিষয় কম থাকে । বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস সম্পর্কে যদি আপনার আগ্রহ থাকে তাহলে ব্রিটানিকা বা এনকার্টা থেকে আপনি বেশি তথ্য পাবেন না ।<br />
আর ভারত বা বাংলার বিষয়গুলি এই বিদেশি বিশ্বকোষগুলিতে লেখা হয় বিদেশী দৃষ্টিকোন থেকে সেগুলি পড়ে আমাদের যদি নিজেদের সংস্কৃতি, সাহিত্য, সঙ্গীত, ইতিহাস সম্পর্কে জানতে হয় তার থেকে দু:খজনক আর কিছু নেই ।</p>
<p>অনেকেই হয়ত <a href="http://en.wikipedia.org/">ইংরাজি উইকিপিডিয়া </a>সম্পর্কে জানেন। এটি এখন পৃথিবীর সবথেকে বড় বিশ্বকোষ । কিন্তু অনেকে হয়ত জানেন না যে উইকিপিডিয়ার একটি <a href="http://bn.wikipedia.org/" target="_blank">বাংলা সংস্করণও</a> আছে । ইন্টারনেটে <a href="http://bn.wikipedia.org/" target="_blank">বাংলা বিশ্বকোষ বাংলা উইকিপিডিয়া</a> ( <span style="font-family: Arial;font-size: x-small"> bn.wikipedia.org</span> <span style="font-size: small"> ) লেখার কাজ চলেছে প্রায় পাঁচ বছর  ধরে । এর মধ্যেই <a href="http://bn.wikipedia.org/wiki/Special:Statistics" target="_blank">কুড়ি হাজারেরও বেশি নিবন্ধ তৈরি করা হয়েছে</a> । কিন্তু এই নিবন্ধের অনেকগুলিই রয়েছে প্রাথমিক অবস্থায় । তাই এই নিবন্ধগুলিকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য দরকার স্বেচ্ছাসেবকের । এরমধ্যেই বাংলাদেশ থেকে বহু মানুষ এগিয়ে এসেছেন । কিন্তু খুবই দু:খের বিষয় এই যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে স্বেচ্ছাসেবকের সংখ্যা নামমাত্র । আমরা পশ্চিমবঙ্গের মানুষের আমাদের রাজ্যে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নতি নিয়ে খুবই গর্ব করি বটে কিন্তু বাংলা ভাষার প্রসারে, বাংলা ভাষার ব্যবহারে, তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার ব্যবহারে ,বাংলা উইকিপিডিয়ার ব্যাপারে আমরা খুবই পিছিয়ে আছি। এমন কি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কোন ওয়েবসাইট  (উইনিকোড ভিত্তিক) বাংলায় নয়। এমনকি <a href="http://www.anandabazar.com/index.htm" target="_blank">আনন্দবাজার পত্রিকাও</a> উইনিকোড ব্যবহার করে না।</span></p>
<p>আর বাংলা উইকিপিডিয়াতে লিখতে গেলে কোন বিশেষজ্ঞ হবার প্রয়োজন নেই । আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা বা বয়স কোনটাই বিচারযোগ্য নয় । শুধু ইচ্ছেটাই এখানে বড় কথা । সমস্ত কাজের মধ্যেও আপনি যদি রোজ মাত্র একলাইন যোগ করে ও বাংলা উইকিপিডিয়ায় লেখেন তাহলেও বছরে ৩৬৫ লাইন লেখা হয় । আর অনেকে যদি অল্প অল্প লেখেন তাহলে এই বিন্দু বিন্দু করেই আমরা সবাই মালিক হতে পারি এক বিরাট বাংলা বিশ্বকোষের । আর যদি আপনার মনে হয় যে কোন বিষয়েই জ্ঞান নেই (যেটা আসলে ভুল) তা হলেও আপনি বাংলা উইকিপিডিয়ায় আপনার অবদান রাখতে পারেন ইংরাজি উইকিপিডিয়া থেকে নিবন্ধ অনুবাদ করে বা বানান এবং ব্যকরনগত সমস্যা দূর করে ।</p>
<p>বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবকেরা যদি বাংলা উইকিপিডিয়ার উন্নতিতে এগিয়ে আসতে পারেন তাহলে আমরাই বা কেন পিছিয়ে থাকব? তাই আসুন আমরা গঠনমূলক এই প্রজেক্টে অংশগ্রহন করে আমাদের ভবিষ্যত সমাজের হাতে তুলে দিই বাংলা ভাষায় এক চমৎকার বিশ্বকোষ । এই ৫ মিনিটের ছোট্ট একটু কাজটাই হতে পারে আগামী দিনের শিশুদের জন্য আপনার উপহার।</p>
<p>এর জন্য আপনার কম্পিউটার<a href="http://wwww.unicode.org" target="_blank"> উইনিকোড</a> ভিত্তিক হতে হবে। বাংলা ফোনেটিক টাইপ করার জন্য আপনাকে  <a href="http://omicronlab.com/" target="_blank">ওমিক্রমল্যাব<span style="font-family: Arial;font-size: x-small"></span></a><span style="font-size: small"><a href="http://omicronlab.com/" target="_blank"> সাইট </a>থেকে অভ্র ডাউনলোড করে নিলেই হবে।</span><span style="font-size: small"> <a href="http://bn.wikipedia.org/wiki/WP:Bangla_script_display_and_input_help" target="_blank">এখান থেকে</a> আপনি জেনে নিতে পারবেন কিভাবে আপনার কম্পিউটারকে উইনিকোড ভিত্তিক করতে হবে। ব্যস নিজের <a href="http://bn.wikipedia.org/wiki/Special:UserLogin" target="_blank">অ্যাকাউন্ট তৈরী করুন </a>ও কাজে নেমে পড়ুন। </span><strong>উইকিতে কোন অবদান করতে লগইনও করতে হয় না তবে। আপনি যদি রেজিস্টেশন করেন তাহলে উইকিপিডিয়া আপনার সমস্ত অবদানগুলোর বিস্তারিত হিসাব রাখবে এবং আপনি যে নিবন্ধে অবদান রাখবেন সেই নিবন্ধের ইতিহাসে আপনার নাম থাকবে চিরজীবন।</strong><span style="font-size: small">কোনো সাহায্যের জন্য বাংলা উইকিপিডিয়ায় <a href="http://bn.wikipedia.org/wiki/user:Jayantanth" target="_blank">আমার আলাপ পাতায় প্রশ্ন </a>রাখতে পারেন।</span><span style="font-size: small">। আমি পশ্চিমবঙ্গের কলিকাতার মানুষ। আমি বাংলা উইকিপিডিয়ার প্রশাসকও বটে। আপনারা সবাই এগিয়ে আসুন। আর কোনো কিছু জানতে এখানেও প্রশ্ন রাখতে পারেন।</span></p>
<p>(কৃতজ্ঞতা -<a href="http://www.sachalayatan.com/ragib/11091" target="_blank">সচলে রাগিব ভাইয়ের ব্লগ</a>)</p>
<p><strong><br />
</strong></p>
<a href="http://www.addtoany.com/add_to/google_bookmarks?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fjayantanth%2F3172&amp;linkname=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%20%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%20%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%9C%E0%A6%9B%E0%A7%87%20%26%238230%3B%20%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%87%21" title="Google Bookmarks" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/google.png" width="16" height="16" alt="Google Bookmarks"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/orkut?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fjayantanth%2F3172&amp;linkname=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%20%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%20%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%9C%E0%A6%9B%E0%A7%87%20%26%238230%3B%20%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%87%21" title="Orkut" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/orkut.png" width="16" height="16" alt="Orkut"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fjayantanth%2F3172&amp;linkname=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%20%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%20%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%9C%E0%A6%9B%E0%A7%87%20%26%238230%3B%20%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%87%21" title="Twitter" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/twitter.png" width="16" height="16" alt="Twitter"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fjayantanth%2F3172&amp;linkname=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%20%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%20%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%9C%E0%A6%9B%E0%A7%87%20%26%238230%3B%20%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%87%21" title="Facebook" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/facebook.png" width="16" height="16" alt="Facebook"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/yahoo_bookmarks?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fjayantanth%2F3172&amp;linkname=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%20%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%20%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%9C%E0%A6%9B%E0%A7%87%20%26%238230%3B%20%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%87%21" title="Yahoo Bookmarks" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/yahoo.png" width="16" height="16" alt="Yahoo Bookmarks"/></a> <a class="a2a_dd addtoany_share_save" href="http://www.addtoany.com/share_save?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fjayantanth%2F3172&amp;linkname=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%20%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%20%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%9C%E0%A6%9B%E0%A7%87%20%26%238230%3B%20%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%87%21"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/share_save_120_16.png" width="120" height="16" alt="Share/Bookmark"/></a>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://coffeehouseradda.com/blog/jayantanth/3172/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>3</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>লং ড্রাইভে রবীন্দ্রনাথ</title>
		<link>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/3117</link>
		<comments>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/3117#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 04 Jul 2010 18:55:57 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সুশান্ত</dc:creator>
				<category><![CDATA[অনুবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[কবিতা]]></category>
		<category><![CDATA[ব্লগাড্ডা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://coffeehouseradda.com/?p=3117</guid>
		<description><![CDATA[<a href=http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/3117><img src=http://coffeehouseradda.com/files/2010/07/RT_t2_pic1.jpg class=imgtfe hspace=5 align=left width=100  border=0></a>
                                                       [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/3117/rt_t2_pic1" rel="attachment wp-att-3118"><img src="http://coffeehouseradda.com/files/2010/07/RT_t2_pic1.jpg" alt="RT_t2_pic1" width="273" height="329" class="aligncenter size-full wp-image-3118" /></a><br />
                                                                   মূল অসমিয়াঃ বিকাশ জ্যোতি শইকিয়া।</p>
<p>লং ড্রাইভে বেরিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ, তাঁকে সেলাম ঠুকছে পথের পাশের গাছগুলো।<br />
ফুলগুলো, সম্ভাষণ জানাচ্ছে বুড়ো পাহাড়ের পাথরগুলো।</p>
<p>রবীন্দ্রনাথের ঠোঁটে সিগেরেট, গেল রাতের  নেশার খানিকটা দু’চোখের আবেশে<br />
পথ চলতি লোকেরা দেখে রবীন্দ্রনাথের এলটো কার, বেপরোয়া চাল চলন<br />
ঐ যে , কানে মোবাইল নিয়ে ড্রাইভিং সিটে রবীন্দ্রনাথ, কারের স্টিরিওতে দুমদাম মিউজিক<br />
নচিকেতার গান, ট্রাফিক জ্যামে মন্থর রবীন্দ্রনাথের গাড়ি</p>
<p>মালিগাঁওয়ের* একটি ধাবাতে থেমে যায় রবীন্দ্রনাথের কার, ধাবার ভেতরে একটা ইন্টারভ্যুর আশাতে নীলিম কুমার **<br />
কাউণ্টারে দুই প্লেট পর্ক, আর একটা ব্লেন্ডারস প্রাইড ফুল অর্ডার দিয়ে সিট টেনে বসে পড়েন রবীন্দ্রনাথ,<br />
বিস্মিত নীলিম কুমার, দু’পেগ টেনে বলেন, দাদা , একটা কবিতা শোনান<br />
ধুর কবিতা!! বিরক্তিতে মুখ কোঁচকান রবীন্দ্রনাথ। বিরবিরিয়ে বলেন, দুনিয়াতে যত্তসব টাকার ধান্দা !<br />
তার চে’ বলো এই রাজ্যে  কি কিছু ম্যানেজ করা যাবে, এন আর এইচ এমের বাজার শুনেছি বেশ ভালো<br />
বাঁধের ঠিকাতেও বুঝি অঢেল টাকা, পি ডাব্লিউ ডি-র খবর কী, পেপারের বিজনেসও মন্দ নয় !<br />
আশ্চর্যচকিত হয়ে যান নীলিম কুমার, এ কী বলছেন রবীন্দ্রনাথ! কী বলছেন এ সব ?</p>
<p>এই কি সেই রবীন্দ্রনাথ যিনি কবিতা লিখেছিলেন, গীতাঞ্জলি, দ্য সং অফারিংস<br />
‘মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ!’ অ্যাঁ ! কী পরিবর্তন, বেশ  ! বেশ!<br />
মুড অফ হয়ে যায় রবীন্দ্রনাথের। কী কবিতা , কোথায় কবিতা, কিসের কবিতা!<br />
 এ পাগল বলে  কী! ছাড়ো তো তোমার প্রলাপ, কবিতাতে কি কিছু পাল্টায় ?<br />
কল্পনারসিকের বাজে কালচার!  কার জন্যে কবিতা ? নিরন্ন মানুষের পেট ভরে না কবিতাতে<br />
সোনাগাছির বেশ্যারা কাবিতা লেখে ভদ্রমানুষের, বানে ধোয়া ধেমাজি ***কবিতা লেখে রাজনীতির মানুষের<br />
সংঘর্ষে নিহতের আত্মীয়রা লেখে শোকের স্বরলিপি, কবিতার বিষাদ</p>
<p>বিব্রত, বিমূঢ় নীলিম কুমারকে ছেড়ে চলে আসেন রবীন্দ্রনাথ।  আবার, আবারো ড্রাইভিঙে রবীন্দ্রনাথ<br />
এইবার রবীন্দ্রনাথের ঠোঁটে শিস, এইবারে রবীন্দ্রনাথের ড্রাইভিঙে বসন্ত, ব্রেক মারেন, স্পীড বাড়ান<br />
ধীরে ধীরে খুলে যায় রবীন্দ্রনাথের মুখোস, ভিজে আসে রবীন্দ্রনাথের দুটো চোখ, পথের পাশে দাঁড় করান গাড়ি<br />
স্টিয়ারিঙে মুখ রেখে হুঁ হুঁ করে কাঁদেন রবীন্দ্রনাথ, হুঁ হুঁ করে কাঁদেন, হুঁ হুঁ করে কাঁদেন<br />
কেন কাঁদেন রবীন্দ্রনাথ? কেন কাঁদেন, কেন কাঁদেন<br />
এতোদিন কি তবে রবীন্দ্রনাথ একা ছিলেন, নির্বাসিত ছিলেন, ছিলেন বিপন্ন আর ক্লান্ত !<br />
মরে যাওয়া রবীন্দ্রনাথ কোত্থেকে এসেছিলেন, কোথায় কাটিয়েছিলেন দিনগুলো, কী খেয়েছিলেন, কোথায় শুয়েছিলেন<br />
এতোদিন কি বিশ্বকবি কবিতা লিখছিলেন, কফিহাউসের আড্ডাতে কি ছিলেন তিনি<br />
নাটক দেখেছিলেন, পড়েছিলেন খবরের কাগজ, ধর্ষণ বলাৎকারের ছবিরা কি তাঁর সকালবেলাগুলো গিলছিল?</p>
<p>গেল রাতে স্বপ্নে রবীন্দ্রনাথ, লং ড্রাইভে রবীন্দ্রনাথ, পথের পাশে গাড়ি দাঁড় করিয়ে কাঁদছিলেন<br />
পথ চলতি লোকেরা  দেখছিল সেই দৃশ্য, সিনেমার মতো পার হয়ে যাচ্ছিল সেই দৃশ্য আর মিলিয়ে যাচ্ছিল</p>
<p>রবীন্দ্রনাথ লং ড্রাইভে আসছিলেন  আর পথের পাশের গাছগুলো, ফুলগুলো তাঁকে  সেলাম ঠুকছিল<br />
সারা রাত ধরে   লং ড্রাইভে আসছিলেন রবীন্দ্রনাথ, আর ভোর বেলা চলেও গেছিলেন</p>
<p>আবার কি  কখনো  আসবেন, লং ড্রাইভে রবীন্দ্রনাথ ?<br />
<a href="http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/3117/rabindranath-03" rel="attachment wp-att-3119"><img src="http://coffeehouseradda.com/files/2010/07/Rabindranath-03.jpg" alt="Rabindranath 03" width="134" height="388" class="alignright size-full wp-image-3119" /></a><br />
 টীকা: *মলিগাঁও: গুয়াহটি শহরের এক উপকন্ঠ.<br />
       ** নীলিম কুমার: অসমিয়া কবিতার এই সমযের এক শক্তিশালী কবি.<br />
      *** ধেমজি: অসমের উত্তর পূর্ব কোনের অত্যন্ত পিছিযে পড়া এক জেলা.</p>
<a href="http://www.addtoany.com/add_to/google_bookmarks?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F3117&amp;linkname=%E0%A6%B2%E0%A6%82%20%E0%A6%A1%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A7%87%20%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5" title="Google Bookmarks" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/google.png" width="16" height="16" alt="Google Bookmarks"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/orkut?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F3117&amp;linkname=%E0%A6%B2%E0%A6%82%20%E0%A6%A1%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A7%87%20%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5" title="Orkut" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/orkut.png" width="16" height="16" alt="Orkut"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F3117&amp;linkname=%E0%A6%B2%E0%A6%82%20%E0%A6%A1%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A7%87%20%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5" title="Twitter" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/twitter.png" width="16" height="16" alt="Twitter"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F3117&amp;linkname=%E0%A6%B2%E0%A6%82%20%E0%A6%A1%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A7%87%20%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5" title="Facebook" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/facebook.png" width="16" height="16" alt="Facebook"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/yahoo_bookmarks?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F3117&amp;linkname=%E0%A6%B2%E0%A6%82%20%E0%A6%A1%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A7%87%20%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5" title="Yahoo Bookmarks" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/yahoo.png" width="16" height="16" alt="Yahoo Bookmarks"/></a> <a class="a2a_dd addtoany_share_save" href="http://www.addtoany.com/share_save?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F3117&amp;linkname=%E0%A6%B2%E0%A6%82%20%E0%A6%A1%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A7%87%20%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/share_save_120_16.png" width="120" height="16" alt="Share/Bookmark"/></a>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/3117/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>1</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>অনুবাদ কবিতা &#8211; সুজাতা ভাট</title>
		<link>http://coffeehouseradda.com/blog/abhra/2534</link>
		<comments>http://coffeehouseradda.com/blog/abhra/2534#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 18 Apr 2010 03:33:48 +0000</pubDate>
		<dc:creator>অভ্র</dc:creator>
				<category><![CDATA[অনুবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://coffeehouseradda.com/?p=2534</guid>
		<description><![CDATA[অনেকদিন অনুবাদ করা হয়নি। অনুবাদ তো দূর, কবিতা পড়াই হচ্ছে না সেইভাবে। তাই আরেকবার হাত বাড়িয়েছিলাম লাইব্রেরির কবিতার সারিতে। কবির নাম সুজাতা ভাট। জন্ম ১৯৫৬, গুজরাটের আহমেদাবাদে। তারপর পুনা এবং শেষে আমেরিকায়। ইউনিভার্সিটি অফ আইওয়া থেকে মাস্টার অফ ফাইন আর্টস। এখন বাস করেন জার্মানিতে, স্বামী ও কন্যার সাথে। অনেক কবিতা লিখেছেন, মূল বিষয় প্রেম ও [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>অনেকদিন অনুবাদ করা হয়নি। অনুবাদ তো দূর, কবিতা পড়াই হচ্ছে না সেইভাবে। তাই আরেকবার হাত বাড়িয়েছিলাম লাইব্রেরির কবিতার সারিতে। কবির নাম সুজাতা ভাট। জন্ম ১৯৫৬, গুজরাটের আহমেদাবাদে। তারপর পুনা এবং শেষে আমেরিকায়। ইউনিভার্সিটি অফ আইওয়া থেকে মাস্টার অফ ফাইন আর্টস। এখন বাস করেন জার্মানিতে, স্বামী ও কন্যার সাথে। অনেক কবিতা লিখেছেন, মূল বিষয় প্রেম ও হিংসা। বর্নবিদ্বেষ তাঁর রচনার বিষয়বস্তু হিসেবে উঠে এসেছে,। এর সাথে অনেক গুজরাটি কবির রচনা তিনি অনুবাদও করেছেন। তাঁর রচিত ‘Search for my tongue’ যুক্তরাজ্যের অনেক জায়গায় পাঠ্য। </p>
<p>Pure Lizard – কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে ২০০৮ সালে। এই কাব্যগ্রন্থে একটু ব্যতিক্রমধর্মী রচনার সংগ্রহ। কবি আলাপ করেছেন বিভিন্ন প্রানীর সাথে, তাঁর রূপরেখায় টিকটিকি হয়ে উঠেছে অলৌকিক দৃষ্টিসম্পন্না ভবিষ্যতবক্তা। কাব্যগ্রন্থে নাম যে কবিতার নামে, তা এইরকম-</p>
<p>তার কিছু অংশ সরীসৃপ,<br />
কিছু অংশ নারী<br />
তার কোন না কোন পূর্বসূরী বানরও হয়ে থাকবে<br />
ওর চামড়া নিঃসন্দেহে টিকটিকির<br />
হয়তো ও কিছুটা বহুরূপীও<br />
ওর চোখদুটো ছোট, মুখ তেকোনা, সরু</p>
<p>আমি যখন ওকে দেওয়ালের ওপর প্রথম দেখি<br />
তখন আমার বয়স চার<br />
ঘরভর্তি লোক ওর কথা শুনছে,<br />
আমার মনে হত<br />
ও মারাঠিও বলতে পারে<br />
মনে হত ও আমার মতই লম্বা,<br />
শুধু এত বয়স হয়ে গেছে যে চামড়া ঝুলে পড়ছে</p>
<p>আমার মনে হয় ও একজন লোমহীন বানর<br />
আর তখন আমার<br />
আরো বেশি করে ওর কাছে যে,<br />
ওর সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করে<br />
ওর কাছে থেকে সবকিছু শুনতে ইচ্ছে করে<br />
দেখতে ইচ্ছে করে ওর সত্যিই একটা লেজ আছে কিনা<br />
ওর সাথে আমার লুকোচুরি খেলতে ইচ্ছে করে</p>
<p>এখন ও সবাইকে কি বলছে?<br />
বারবার শোনা যাচ্ছে ওর গলার স্বর<br />
ওর শরীরে এত যন্ত্রনার ইতিবৃত্ত<br />
গলায় হতাশার ছোঁয়া,<br />
তবু কিছু লোকের খুব মজা লাগছে,<br />
আমার খুব জানতে ইচ্ছে করছে, কেন?<br />
কিন্তু পারছি না<br />
আমাকে সরিয়ে নেওয়া হবে,<br />
আমাকে চলে যেতে বলা হয়েছে।</p>
<p>আজ আবার আমার ওর কথা মনে হল<br />
ও কে ছিল? আজও কি ওকে চিনি?<br />
ও এখন কোথায়?<br />
আমার অলৌকিক ভবিষ্যতবক্তা</p>
<p>একই সাথে অন্য দুটি রচনা তুলে ধরার চেষ্টা করলাম। কবির চিন্তাসূত্র চমকে দেয় বটে।</p>
<ul>
Finding India in Unexpected Places</ul>
<p>A street in bath<br />
	A bus in Medellin<br />
A gesture in Gyeongju</p>
<p>A yellow fragrance in Oaxaca<br />
Oleanders<br />
On the isle of Skopelos</p>
<p>Memories distort geography.</p>
<p>But how did the Mayas<br />
	Learn about elephants,<br />
     About Ganesh, and the precise shape of his ears?</p>
<p>বাথের এক রাস্তায়<br />
মেন্ডেলিনের কোন এক বাসে<br />
হয়তো বা গেয়োঞ্জুর কোন এক ভঙ্গিমা,<br />
স্কোপেলসের করবী ফুল<br />
বা ওয়াহাকার সুগন্ধির স্মৃতি<br />
এলোমেলো করে দেয় স্বদেশের মানচিত্র<br />
ভাবি,<br />
মায়া সভ্যতার দেশে<br />
ওরা কি করে হাতির কথা জানল,<br />
জানল গনেশের কথা,<br />
কিভাবে এঁকে নিতে পারল একটি নিখুঁত ছবি?</p>
<ul>
A Hidden Truth</ul>
<p>Those three monkeys;<br />
See no eveil<br />
Hear no evil<br />
Speak no evil-<br />
Actually wear kimonos.<br />
Tomorrow,<br />
	They’ll wear saris.<br />
Truth stays hidden-<br />
Within their palms which are<br />
So burnt – and scarred<br />
Into a violent purple. </p>
<p>Those three monkeys:<br />
See no eveil<br />
Hear no evil<br />
Speak no evil-<br />
They always knew they were women-<br />
Women, not monkeys.<br />
And one day the camera<br />
Revealed their souls. </p>
<p>ঐ যে তিনটি বাঁদর<br />
যারা বলে খারাপ দেখো না, শুনো না, বল না<br />
ওরা আসলে কিমোনো পরে,<br />
হয়তো কালকে ওদের শাড়ি পরতে দেখা যাবে<br />
কিন্তু আসল সত্যি কথাটা<br />
ঢাকা থেকে যায় ওদের পুড়ে যাওয়া হাতের পাতায়,<br />
অনেক অত্যাচারের ছাপ থাকে সেখানে-</p>
<p>ঐ তিনটি বাঁদর<br />
ওরা সবসময়ই জানত ওরা আসলে নারী<br />
নারী জাতি, বাঁদর নয়<br />
একদিন হঠাত করেই<br />
ওদের সত্যিটুকু ধরা পড়ে গেল-  </p>
<p>কবির রচনাশৈলী কতটুকু তুলে ধরতে পারলাম জানি না, তবে অনুভূতিসত্ত্বাকে আমরা ছুঁয়ে নিতে পারি তাঁর নিজের কথাতেই, ‘when I am most deeply absorbed in writing a poem I feel that I am translating images, sounds, rhythms and an emotional tone into words.’</p>
<a href="http://www.addtoany.com/add_to/google_bookmarks?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fabhra%2F2534&amp;linkname=%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%26%238211%3B%20%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%9F" title="Google Bookmarks" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/google.png" width="16" height="16" alt="Google Bookmarks"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/orkut?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fabhra%2F2534&amp;linkname=%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%26%238211%3B%20%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%9F" title="Orkut" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/orkut.png" width="16" height="16" alt="Orkut"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fabhra%2F2534&amp;linkname=%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%26%238211%3B%20%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%9F" title="Twitter" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/twitter.png" width="16" height="16" alt="Twitter"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fabhra%2F2534&amp;linkname=%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%26%238211%3B%20%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%9F" title="Facebook" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/facebook.png" width="16" height="16" alt="Facebook"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/yahoo_bookmarks?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fabhra%2F2534&amp;linkname=%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%26%238211%3B%20%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%9F" title="Yahoo Bookmarks" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/yahoo.png" width="16" height="16" alt="Yahoo Bookmarks"/></a> <a class="a2a_dd addtoany_share_save" href="http://www.addtoany.com/share_save?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fabhra%2F2534&amp;linkname=%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%26%238211%3B%20%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%9F"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/share_save_120_16.png" width="120" height="16" alt="Share/Bookmark"/></a>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://coffeehouseradda.com/blog/abhra/2534/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>3</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বহাগতো শুধু  এক ঋতু নয়</title>
		<link>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/2504</link>
		<comments>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/2504#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 14 Apr 2010 15:25:15 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সুশান্ত</dc:creator>
				<category><![CDATA[অনুবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[কবিতা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://coffeehouseradda.com/?p=2504</guid>
		<description><![CDATA[<a href=http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/2504><img src=http://coffeehouseradda.com/files/2010/04/Bohag-Matho-Eti-Ritu-Nohoy-02.jpg class=imgtfe hspace=5 align=left width=100  border=0></a>বহাগতো১ শুধু  এক ঋতু নয়

(ইংরেজি ভাষার অসমিয়া  লেখিকা উদ্দীপনার 
সম্প্রতি ‘We Called the river Red’ থেকে নেয়া ‘Bohāg Māthu Eti Ritu Nahai’ কবিতার অনুবাদ) 
দেশের বাড়িতে আজ আবার বিহু এসেছে ।
হয়তো  এখন আকাশে বাতাসে কেবলি বহাগ
হয়তোবা মৃত্যু
হয়তো চারদিকে ঢোল পেঁপা গগনা২ বাজছে
হয়তোবা বুলেট
হয়তো গাছে গাছে কপৌ৩ ফুটে ছড়িয়েছে সৌরভ
হয়তোবা রক্ত
&#8230;বুলেট , রক্ত [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বহাগতো১ শুধু  এক ঋতু নয়<br />
<a href="http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/2504/bohag-matho-eti-ritu-nohoy-02" rel="attachment wp-att-2510"><img src="http://coffeehouseradda.com/files/2010/04/Bohag-Matho-Eti-Ritu-Nohoy-02.jpg" alt="Bohag Matho Eti Ritu Nohoy 02" width="410" height="270" class="aligncenter size-full wp-image-2510" /></a><br />
(ইংরেজি ভাষার অসমিয়া  লেখিকা <a href="http://www.jajabori-mon.blogspot.com/">উদ্দীপনার </a><br />
সম্প্রতি ‘We Called the river Red’ থেকে নেয়া ‘Bohāg Māthu Eti Ritu Nahai’ কবিতার অনুবাদ) </p>
<p>দেশের বাড়িতে আজ আবার বিহু এসেছে ।</p>
<p>হয়তো  এখন আকাশে বাতাসে কেবলি বহাগ<br />
হয়তোবা মৃত্যু<br />
হয়তো চারদিকে ঢোল পেঁপা গগনা২ বাজছে<br />
হয়তোবা বুলেট<br />
হয়তো গাছে গাছে কপৌ৩ ফুটে ছড়িয়েছে সৌরভ<br />
হয়তোবা রক্ত</p>
<p>&#8230;বুলেট , রক্ত আর মৃত্যু, মৃত্যু, রক্ত আর বুলেটঃ ওইতো ওখানে সব।<br />
আমি এই বিদেশ বিভূঁইয়ে হয়তো বেশ আছি,<br />
হয়তোবা, দেশের বাড়িতে&#8230;</p>
<p>কিন্তু , আজ আবার সেই দেশের বাড়িতে<br />
বিহু এসেছে,<br />
আর আমি একা পড়ে আছি বাইরে , বাড়ি থেকে দূর বহু দূর। </p>
<p>***<br />
টীকাঃ<br />
১)বহাগঃ আক্ষরিক অর্থ ‘বৈশাখ’। এখানে ‘বহাগ ঋতু’ কিন্তু ‘বসন্ত’। এটি ভূপেন হাজারিকার এক বিখ্যাত গানের প্রথম কলি।<br />
২) পেঁপা, গগনাঃ পেঁপা –শিঙার চাইতে আকারে ছোট মহিষের শিঙে তৈরি বাদ্য। গগনা- বাঁশে তৈরি এক বাদ্য যন্ত্র, যেটি অসমেই দেখা যায়। দুটোই বিহুর অবিচ্ছেদ্য অংশ।<br />
৩) কপৌঃ অর্কিড। এই ফুল ছাড়া বিহুর সাজসজ্জা অসম্পূর্ণ। </p>
<p> Bohāg Māthu Eti Ritu Nahai<br />
(Bohā is not merely a season)</p>
<p>It is Bihu back home</p>
<p>Perhaps there is bohāg in the air,<br />
Perhaps death<br />
Perhaps dhol-pepā-gaganā sound<br />
Perhaps bullets.<br />
Perhaps the kapou is in the bloom<br />
Perhaps blood.</p>
<p>…bullet,blood and death, death,blood and bullet: that’s all there is.Perhaps I am better away; or perhaps,better home…</p>
<p>But it is Bihu today<br />
Back home,<br />
And I and away.</p>
<p>*** ***<br />
  ******** ******<br />
&#8216;স্ফুলিঙ্গ &#8216; কাব্যগ্রন্থে রবীন্দ্রনাথের প্রায় এমনই এক কবিতা<br />
এখানে তুলে দেয়া একেবার অপ্রাসঙ্গিক হবে নাঃ<br />
<a href="http://www.rabindra-rachanabali.nltr.org/node/12858">১২৩ নং কবিতাতে তিনি লিখছেনঃ</a></p>
<p>নববর্ষ এল আজি<br />
       দুর্যোগের ঘন অন্ধকারে;<br />
আনে নি আশার বাণী,<br />
       দেবে না সে করুণ প্রশ্রয়।<br />
প্রতিকূল ভাগ্য আসে<br />
       হিংস্র বিভীষিকার আকারে;<br />
তখনি সে অকল্যাণ<br />
       যখনি তাহারে করি ভয়।<br />
যে জীবন বহিয়াছি<br />
       পূর্ণ মূল্যে আজ হোক কেনা;<br />
দুর্দিনে নির্ভীক বীর্যে<br />
       শোধ করি তার শেষ দেনা।</p>
<a href="http://www.addtoany.com/add_to/google_bookmarks?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F2504&amp;linkname=%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A7%8B%20%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A7%E0%A7%81%20%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%20%E0%A6%8B%E0%A6%A4%E0%A7%81%20%E0%A6%A8%E0%A7%9F" title="Google Bookmarks" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/google.png" width="16" height="16" alt="Google Bookmarks"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/orkut?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F2504&amp;linkname=%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A7%8B%20%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A7%E0%A7%81%20%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%20%E0%A6%8B%E0%A6%A4%E0%A7%81%20%E0%A6%A8%E0%A7%9F" title="Orkut" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/orkut.png" width="16" height="16" alt="Orkut"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F2504&amp;linkname=%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A7%8B%20%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A7%E0%A7%81%20%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%20%E0%A6%8B%E0%A6%A4%E0%A7%81%20%E0%A6%A8%E0%A7%9F" title="Twitter" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/twitter.png" width="16" height="16" alt="Twitter"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F2504&amp;linkname=%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A7%8B%20%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A7%E0%A7%81%20%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%20%E0%A6%8B%E0%A6%A4%E0%A7%81%20%E0%A6%A8%E0%A7%9F" title="Facebook" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/facebook.png" width="16" height="16" alt="Facebook"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/yahoo_bookmarks?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F2504&amp;linkname=%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A7%8B%20%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A7%E0%A7%81%20%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%20%E0%A6%8B%E0%A6%A4%E0%A7%81%20%E0%A6%A8%E0%A7%9F" title="Yahoo Bookmarks" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/yahoo.png" width="16" height="16" alt="Yahoo Bookmarks"/></a> <a class="a2a_dd addtoany_share_save" href="http://www.addtoany.com/share_save?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F2504&amp;linkname=%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A7%8B%20%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A7%E0%A7%81%20%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%20%E0%A6%8B%E0%A6%A4%E0%A7%81%20%E0%A6%A8%E0%A7%9F"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/share_save_120_16.png" width="120" height="16" alt="Share/Bookmark"/></a>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/2504/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>10</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আজ এগিয়ে দিচ্ছি ‘প্রজ্ঞানে’র সপ্তম বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা।</title>
		<link>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/2407</link>
		<comments>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/2407#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 07 Apr 2010 19:02:26 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সুশান্ত</dc:creator>
				<category><![CDATA[অনুবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[কবিতা]]></category>
		<category><![CDATA[গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[চলচ্চিত্র]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবন্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সমসাময়িক]]></category>
		<category><![CDATA[সমাজ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://coffeehouseradda.com/?p=2407</guid>
		<description><![CDATA[<a href=http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/2407><img src=http://lh4.ggpht.com/_4hRsluwH3zA/S7zVV-6QjQI/AAAAAAAACxI/QPwYPDolTFU/s144/Front%20Cover%200703.jpg class=imgtfe hspace=5 align=left width=100  border=0></a>




From Cover


চলুন আজ আপনাদের এক অন্যরকম কাগজ পড়াই। আগেও পড়িয়েছি। আজ এগিয়ে দিচ্ছি ‘প্রজ্ঞানে’র সপ্তম বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা। এটি অনন্য এর জন্যে যে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এমন নিয়মিত কাগজ বেরোয় বলে আমি অন্তত জানি না। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণা পত্রিকা বের করে বটে , কিন্তু সেগুলো একেবারেই পণ্ডিতদের জন্যে । আম পাঠকের জন্যে নয়। আমাদেরটা একেবারেই [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<table style="width:auto">
<tr>
<td><a href="http://picasaweb.google.com/lh/photo/1cmtbT6pRXonEykj8NzJVw?authkey=Gv1sRgCO-Wj4v0tcnoTg&amp;feat=embedwebsite"><img src="http://lh4.ggpht.com/_4hRsluwH3zA/S7zVV-6QjQI/AAAAAAAACxI/QPwYPDolTFU/s144/Front%20Cover%200703.jpg" /></a></td>
</tr>
<tr>
<td style="font-family:arial,sans-serif;font-size:11px;text-align:right">From <a href="http://picasaweb.google.com/pragyan.tsc50/Cover?authkey=Gv1sRgCO-Wj4v0tcnoTg&amp;feat=embedwebsite">Cover</a></td>
</tr>
</table>
<p>চলুন আজ আপনাদের এক অন্যরকম কাগজ পড়াই। আগেও পড়িয়েছি। আজ এগিয়ে দিচ্ছি ‘প্রজ্ঞানে’র সপ্তম বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা। এটি অনন্য এর জন্যে যে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এমন নিয়মিত কাগজ বেরোয় বলে আমি অন্তত জানি না। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণা পত্রিকা বের করে বটে , কিন্তু সেগুলো একেবারেই পণ্ডিতদের জন্যে । আম পাঠকের জন্যে নয়। আমাদেরটা একেবারেই কলেজ ছাত্রদের কথা মনে রেখে। মূলতঃ অসমিয়া ও ইংরেজিতে দ্বিভাষিক কাগজ। কিন্তু সাহিত্যের বিভাগে আমরা বাংলা এবং হিন্দিও ছেপে থাকি।  অসম তথা পূর্বোত্তর ভারতের যারা দেশে বিদেশে থাকেন তাদের কল্যাণে ইতিমধ্যে  কাগজটি এক আন্তর্জাতিক পরিচিতি লাভ করেছে। ফলে শুধু কাগজ বের করাই নয়, কখনো বা জ্ঞান বিশ্বের নানা পথিকদের এনে আলোচনা সভা ইত্যাদি আয়োজন করাও আমাদের এখন কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে। যেমন এই আগামী ১৭ তারিখে আমাদের কলেজে  আসবেনIndian Institute of Science Education and Reasearch এর <a href="http://www.iiserpune.ac.in/~aa.natu/">অধ্যাপক অরভিন্দ অনন্ত নাটু</a>। বলবেন ‘সাধারণ বিজ্ঞানে অধ্যয়নে’র নানান সুলুক সন্ধান নিয়ে। এই আয়োজনে আমাদের সহযোগিতাতে এগিয়ে এসছে পূর্বত্তরের বিজ্ঞানীদের আন্তর্জাতিক সংগঠন <a href="http://www.neindiaresearch.org/">North East India Research Forum. </a><br />
	আপনারা হয়তো অনেকেই আলতাফ মজিদকে চিনবেন না। কিন্তু তিনি সেই অসমিয়া চলচিত্র পরিচালক ও সমালোচক যিনি ৭৫ বছর আগের প্রথম অসমিয়া চলচ্চিত্র জ্যোতিপ্রসাদের ‘জয়মতি’কে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে পুনরুদ্ধার করেছেন। এই মার্চে সেই ছবি নিয়ে তিনি হলিউড ঘুরে এলেন। এবারেই তিনি চলচ্চিত্র সমালোচনা ও পরিচালনার জন্যে দু’দুটো রাষ্ট্রীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। তাঁরই লেখা নিয়ে আমরা সাজিয়েছি এবারের প্রচ্ছদ নিবন্ধ। তাঁর অভিনীত ও ননী বরার পরিচালিত এক তথ্য চিত্র ‘SKC-Profile of a Time Capturer’ এর প্রদর্শণীর উপর এক প্রতিবেদন হাজির করেছেন আলতাফের সহযোগী নজরুল হক।<br />
	আমাদের রাজ্যের এক সুপরিচিত নাট্যকার ও সংস্কৃতি কর্মী হরেন্দ্রনাথ বরঠাকুর অনেকদিন পর স্মরণ করলেন বোর্টল্ট ব্রেখটের বান্ধবী , সহযোগী ও স্ত্রী অভিনেত্রী হেলেনে ভাইগেলকে।<br />
	ডাইনী হত্যার বিরুদ্ধে কাজ করে শুরু হয়েছিল কুলধর শইকীয়ার ‘Project Prahari’র কাজ। এখন এর শাখা প্রশাখা ছড়িয়ে আছে সারা রাজ্যে। এক জন পুলিশের বড়কর্তা যিনি আবার অসমিয়া সাহিত্যের খ্যাতনামা গল্পকার তাঁকে এবারের প্রজাতন্ত্র দিবসে রাষ্ট্রপতি বিশেষ পদক দিয়ে সম্মানিত করেছেন। সেই কাজ নিয়ে লিখেছেন মফিদ রহমান। মফিদ আবার হচ্ছেন সেই ক&#8217;জন্ উদ্যমীদের অন্যতম যাদের কল্যাণে আমাদের রাজ্যে চলছে ১০৮ এম্বুলেন্স সেবা। আপনি যেখানেই থাকুন, বিপদে পড়ে ১০৮ কল করুন। আপনার সামনে এসে হাজির হবে ১০৮ আম্বুলেন্স। প্রাথমিক চিকিতসা ওখানেই হতে পারে। তাতে কাজ না হলে আপনাকে নিয়ে যাবে হাসপাতালে।<br />
এছাড়াও এমনি আর বেশ কিছু চিত্তাকর্ষক লেখা রয়েছে। তার মধ্যে আপনাদের আগ্রহের লেখক হতে পারেন কফিহাউসের সহলেখিকা ইন্দিরা মুখার্জী, বাংলাদেশের কিশোরী লেখিকা শাহরিণা আলম, অসমের ইংরেজি কবিতার খ্যাতনামা লেখক অনুরাগ রুদ্র তেমনি আরো কেউ কেউ।  সে আপনারা নিজেরাই খুলে দেখবেন বলে আর কথা না বাড়িয়ে সরাসরি লিঙ্কগুলো এগিয়ে দিলাম। পড়ে কেমন লাগল জানাবেন কিন্তু!<br />
<a href="http://www.scribd.com/doc/29019180/Pragyan-Vol-07-Issue-03">সরাসরি লিঙ্কটা রইল এখানে</a><br />
সবলেখা আমরা সবসময় ছেপে উঠতে পারিনা। তেমনি দিতে পারিনা সবখবর। সেগুলো এখানেও থাকে আমাদের <a href="http://pragyan06now.blogspot.com/2010/03/its-our-pleasure-to-present-you-march.html">এই জনপ্রিয় ব্লগে  </a><br />
আমাদের সম্পর্কে বিস্তৃত <a href="https://sites.google.com/site/pragyan06now/about-pragyan/pragyan-06-02-the-text/pragyan-06-02the-text/pragyan--06-01/Home?pli=1">জানতে এই সাইটেও ভ্রমণ করতে পারেন</a>।<br />
সবসময়ই আমাদের পেছনের প্রচ্ছদ সাজিয়ে তুলেন কোনো না কোনো চিত্র শিল্পী। এবারের ছবিগুলো দিয়েছেন রাজ্যের সুপরিচিত শিল্পী পার্থ সারথি দত্ত।তাঁর ছবি নাহয় এখানেই দেখুন।<br />
<table style="width:auto">
<tr>
<td><a href="http://picasaweb.google.com/lh/photo/hWt9ouRnQfRq5eNBIiHYDg?authkey=Gv1sRgCO-Wj4v0tcnoTg&amp;feat=embedwebsite"><img src="http://lh5.ggpht.com/_4hRsluwH3zA/S7zVU2FJp-I/AAAAAAAACxE/1YPfdeLzsro/s288/Back%20Cover%2007-03.jpg" /></a></td>
</tr>
<tr>
<td style="font-family:arial,sans-serif;font-size:11px;text-align:right">From <a href="http://picasaweb.google.com/pragyan.tsc50/Cover?authkey=Gv1sRgCO-Wj4v0tcnoTg&amp;feat=embedwebsite">Cover</a></td>
</tr>
</table>
<a href="http://www.addtoany.com/add_to/google_bookmarks?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F2407&amp;linkname=%E0%A6%86%E0%A6%9C%20%E0%A6%8F%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF%20%E2%80%98%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E2%80%99%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AE%20%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%20%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A5%A4" title="Google Bookmarks" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/google.png" width="16" height="16" alt="Google Bookmarks"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/orkut?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F2407&amp;linkname=%E0%A6%86%E0%A6%9C%20%E0%A6%8F%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF%20%E2%80%98%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E2%80%99%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AE%20%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%20%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A5%A4" title="Orkut" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/orkut.png" width="16" height="16" alt="Orkut"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F2407&amp;linkname=%E0%A6%86%E0%A6%9C%20%E0%A6%8F%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF%20%E2%80%98%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E2%80%99%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AE%20%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%20%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A5%A4" title="Twitter" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/twitter.png" width="16" height="16" alt="Twitter"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F2407&amp;linkname=%E0%A6%86%E0%A6%9C%20%E0%A6%8F%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF%20%E2%80%98%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E2%80%99%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AE%20%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%20%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A5%A4" title="Facebook" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/facebook.png" width="16" height="16" alt="Facebook"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/yahoo_bookmarks?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F2407&amp;linkname=%E0%A6%86%E0%A6%9C%20%E0%A6%8F%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF%20%E2%80%98%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E2%80%99%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AE%20%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%20%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A5%A4" title="Yahoo Bookmarks" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/yahoo.png" width="16" height="16" alt="Yahoo Bookmarks"/></a> <a class="a2a_dd addtoany_share_save" href="http://www.addtoany.com/share_save?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F2407&amp;linkname=%E0%A6%86%E0%A6%9C%20%E0%A6%8F%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF%20%E2%80%98%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E2%80%99%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AE%20%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%20%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A5%A4"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/share_save_120_16.png" width="120" height="16" alt="Share/Bookmark"/></a>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/2407/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>4</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আমার কিছু পুরোনো কবিতা</title>
		<link>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/1959</link>
		<comments>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/1959#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 05 Mar 2010 16:11:53 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সুশান্ত</dc:creator>
				<category><![CDATA[অনুবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[কবিতা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://coffeehouseradda.com/?p=1959</guid>
		<description><![CDATA[স মঝু কন্তা
দূর দিগন্তা।
পাউস আয়ে
চেলু দুলায়ে।।
 &#8216;প্রাকৃত পৈঙ্গল&#8217; নামের এক প্রাচীন সংকলনে এই প্রত্ন বাংলা কবিতা সংকলিত হয়েছিল। এর এক আধুনিক বাংলা অনুবাদ আমি করেছিলাম (ফেব্রুয়ারী,৯৫ তে)এরকমঃ
প্রিয়তম দূর দেশে
       দিগন্ত পার ।
ওড়না ওড়ালো এসে
       মেঘ বরষার ।।
মন দিয়ে পড়ুন আবার , দেখবেন এক [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>স মঝু কন্তা<br />
দূর দিগন্তা।<br />
পাউস আয়ে<br />
চেলু দুলায়ে।।<br />
 &#8216;প্রাকৃত পৈঙ্গল&#8217; নামের এক প্রাচীন সংকলনে এই প্রত্ন বাংলা কবিতা সংকলিত হয়েছিল। এর এক আধুনিক বাংলা অনুবাদ আমি করেছিলাম (ফেব্রুয়ারী,৯৫ তে)এরকমঃ<br />
প্রিয়তম দূর দেশে<br />
       দিগন্ত পার ।<br />
ওড়না ওড়ালো এসে<br />
       মেঘ বরষার ।।<br />
মন দিয়ে পড়ুন আবার , দেখবেন এক ছোট্ট গল্প আছে এর মধ্যে। অনেক কথা বলেছেন কবি, অনেক কম বলে।<br />
এর অনুকরণে আমি আরো লিখেছিলাম কিছুঃ<br />
১)<br />
কাশফুল ঝরে যায়;<br />
      কপালের টিপ।<br />
বাঁধা বেনী খুলে যায়<br />
        নেভানো  প্রদীপ।<br />
২)<br />
&#8216;বউ কথা কও&#8217; পাখি<br />
             ডাকিসনে আর<br />
শিউলি ফোটেনা সখি<br />
         ভাদো আশিনার<br />
৩)<br />
যে যদি মিনতি করে<br />
           আঙটি ও হার;<br />
দু&#8217;পা গেলে নদী বয়;<br />
         কলসি দোয়ার।</p>
<p> এবারে পড়ুন আমার বৈষ্ণব কবিতার যুগের ধাঁচে কবিতা ( লিখেছি জুলাই ৯৫তে)<br />
<strong>বাঁশি</strong><br />
তুই ছাড়া আর কার বা আমি<br />
            নিলাম জাতি কুল;<br />
কার প্রাণে বা বাজলো গিয়ে<br />
          বাঁশি আমার ভুল!</p>
<p>ঝাড় উপাড়ি ডালে মূলে<br />
           কে ভাসালে সুর;<br />
তোর পায়ের নুপূর চেনে<br />
         সাত সমুদ্দূর !</p>
<p>এখন সখি, সুখ হলো তোর-<br />
        কী দিয়ে নিই প্রাণ!<br />
ভুলেই গেছে যমুনা যে সেই<br />
আগের কলতান!</p>
<a href="http://www.addtoany.com/add_to/google_bookmarks?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F1959&amp;linkname=%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81%20%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE" title="Google Bookmarks" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/google.png" width="16" height="16" alt="Google Bookmarks"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/orkut?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F1959&amp;linkname=%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81%20%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE" title="Orkut" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/orkut.png" width="16" height="16" alt="Orkut"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F1959&amp;linkname=%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81%20%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE" title="Twitter" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/twitter.png" width="16" height="16" alt="Twitter"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F1959&amp;linkname=%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81%20%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE" title="Facebook" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/facebook.png" width="16" height="16" alt="Facebook"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/yahoo_bookmarks?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F1959&amp;linkname=%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81%20%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE" title="Yahoo Bookmarks" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/yahoo.png" width="16" height="16" alt="Yahoo Bookmarks"/></a> <a class="a2a_dd addtoany_share_save" href="http://www.addtoany.com/share_save?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F1959&amp;linkname=%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81%20%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/share_save_120_16.png" width="120" height="16" alt="Share/Bookmark"/></a>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/1959/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>5</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ফাগুন</title>
		<link>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/1947</link>
		<comments>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/1947#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 03 Mar 2010 17:01:42 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সুশান্ত</dc:creator>
				<category><![CDATA[অনুবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[কবিতা]]></category>
		<category><![CDATA[ব্লগাড্ডা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://coffeehouseradda.com/?p=1947</guid>
		<description><![CDATA[<a href=http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/1947><img src=http://coffeehouseradda.com/files/2010/03/45_lovers-on-Tarpon-beach-sepia-004-150x150.jpg class=imgtfe hspace=5 align=left width=100  border=0></a> 
                                                      [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p> <a href="http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/1947/45_lovers-on-tarpon-beach-sepia-004" rel="attachment wp-att-1948"><img src="http://coffeehouseradda.com/files/2010/03/45_lovers-on-Tarpon-beach-sepia-004-150x150.jpg" alt="45_lovers on Tarpon beach sepia 004" width="150" height="150" class="alignright size-thumbnail wp-image-1948" /></a></p>
<p>                                                        মূল ইংরেজিঃ <a href="http://jajabori-mon.blogspot.com/">উদ্দীপনা গোস্বামী</a></p>
<p>(অসমের এই লেখিকার সম্প্রতি প্রকাশিত কবিতার বই<br />
‘We Called the river Red’ থেকে নেয়া ‘Tryst’ কবিতার অনুবাদ) </p>
<p>সেদিন বিকেলের বালুকা বেলায়<br />
আমাদের যখন দেখা হলো<br />
সারা ‘দিবং’ জুড়ে তখন জ্বলছিল আগুন!<br />
আমি আর আমার ‘কানেং’,<br />
আমাদের ঘিরে ফেলেছিল হলদে ফাগুন! </p>
<p>তুমি এমনি এমনি পড়ে যেতে দিলে<br />
তোমার   ‘রিবি গাছেং’টাকে<br />
আমার নগ্ন পায়।<br />
আর আমি ওদিকে ঝলসে গেলাম !</p>
<p>একটু শীতল হব বলে<br />
তোমার স্তনের ছায়াতে<br />
সরে গিয়েছি কি,<br />
পুড়ে ছাই হয়ে গুড়িয়ে গেলাম!<br />
ফাল্গুনী বাতাসে হারিয়ে  গেলাম !</p>
<p>আমাকে যে বাঁচাবে, তুমি সেদিন তেমন  কিচ্ছুটি করোনি !<br />
~~~~~~~</p>
<p>টীকাঃ<br />
১)দিবং ঃ ব্রহ্মপুত্রের একটি উপনদী। ২) কানেং ঃ মিসিং ভাষাতে এর অর্থ ‘প্রেমাষ্পদ’। ৩) রিবি গাছেং ঃ মিশিং মহিলার পোষাক ।      শব্দগুলো লেখিকা ইংরেজি মূলে অপরিবর্তীত রেখে দেয়াতে আমরাও বাংলা অনুবাদে পাল্টাবার প্রয়োজন বোধ করিনি।আপনাদের সুবিধের জন্যে মূল ইংরেজিটা নিচে দিলাম। আপনাদের পড়ে বলতে হবে আমি কাজটা কেমন করলাম। ভুল করলে বকে দেবেন !</p>
<p>Tryst</p>
<p>When we met<br />
On the afternoon sands<br />
The Diabong was on Fire<br />
And I, my Kaneng,<br />
Was on fire too </p>
<p>When you let fall<br />
Your Ribi-gacheng<br />
At my feet,<br />
I was scalded.</p>
<p>I reached out<br />
For coolness in the shadow<br />
Of your breasts<br />
 And I was scorched</p>
<p>You did nothing to help</p>
<p>                                 * * *</p>
<a href="http://www.addtoany.com/add_to/google_bookmarks?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F1947&amp;linkname=%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8" title="Google Bookmarks" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/google.png" width="16" height="16" alt="Google Bookmarks"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/orkut?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F1947&amp;linkname=%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8" title="Orkut" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/orkut.png" width="16" height="16" alt="Orkut"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F1947&amp;linkname=%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8" title="Twitter" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/twitter.png" width="16" height="16" alt="Twitter"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F1947&amp;linkname=%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8" title="Facebook" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/facebook.png" width="16" height="16" alt="Facebook"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/yahoo_bookmarks?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F1947&amp;linkname=%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8" title="Yahoo Bookmarks" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/yahoo.png" width="16" height="16" alt="Yahoo Bookmarks"/></a> <a class="a2a_dd addtoany_share_save" href="http://www.addtoany.com/share_save?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F1947&amp;linkname=%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/share_save_120_16.png" width="120" height="16" alt="Share/Bookmark"/></a>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/1947/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>11</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>কম্প্যুটার, ইন্টারনেট, মাতৃভাষা এবং  পূর্বোত্তর ভারতের আন্তর্জালিক অভিধান ‘শব্দ’:</title>
		<link>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/1715</link>
		<comments>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/1715#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 02 Feb 2010 14:50:38 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সুশান্ত</dc:creator>
				<category><![CDATA[অনুবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[কবিতা]]></category>
		<category><![CDATA[গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[চলচ্চিত্র]]></category>
		<category><![CDATA[পুস্তক]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবন্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[ব্লগাড্ডা]]></category>
		<category><![CDATA[ভ্রমণ]]></category>
		<category><![CDATA[রম্যরচনা]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সমসাময়িক]]></category>
		<category><![CDATA[সমাজ]]></category>
		<category><![CDATA[সমালোচনা]]></category>
		<category><![CDATA[অসম]]></category>
		<category><![CDATA[অসমিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[কাছাড়ি]]></category>
		<category><![CDATA[নাগা]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্বোত্তর ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মিজো]]></category>
		<category><![CDATA[শব্দ]]></category>
		<category><![CDATA[সিলেটি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://coffeehouseradda.com/?p=1715</guid>
		<description><![CDATA[<a href=http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/1715><img src=http://coffeehouseradda.com/files/2010/02/XGqD-10u-1-150x150.gif class=imgtfe hspace=5 align=left width=100  border=0></a>বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ছাত্র হবার সুবাদে এক সময় আমার ইংরেজি লিখতে হাত কাঁপত। বলতে হলে বোধহয় এখনো ঠোঁট কাঁপবে। আজ আমি একটি কাগজ ( প্রজ্ঞান) নিয়মিত সম্পাদনা করি যার বেশির ভাগ লেখাই থাকে ইংরেজিতে। এ দরকারে এবং আনুষঙ্গিক আরো অজস্র দরকারে আজ আমাকে রোজ ইংরেজি লিখতে হয়। আমার হাত কাঁপে না। কারণটি, আর কিছু [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/1715/xgqd-10u-1" rel="attachment wp-att-1719"><img src="http://coffeehouseradda.com/files/2010/02/XGqD-10u-1-150x150.gif" alt="শব্দের হোম পেজ, অলঙ্কৃত" width="150" height="150" class="alignleft size-thumbnail wp-image-1719" /></a>বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ছাত্র হবার সুবাদে এক সময় আমার ইংরেজি লিখতে হাত কাঁপত। বলতে হলে বোধহয় এখনো ঠোঁট কাঁপবে। আজ আমি <a href="http://sites.google.com/site/pragyan06now">একটি কাগজ ( প্রজ্ঞান)</a> নিয়মিত সম্পাদনা করি যার বেশির ভাগ লেখাই থাকে ইংরেজিতে। এ দরকারে এবং আনুষঙ্গিক আরো অজস্র দরকারে আজ আমাকে রোজ ইংরেজি লিখতে হয়। আমার হাত কাঁপে না। কারণটি, আর কিছু নয়। ইচ্ছা,নিষ্ঠা, দৃঢ়তা –এই ভারি শব্দগুলো উচ্চারণ করা যেতেই পারে। কিন্তু সহজ শব্দটি হচ্ছে ‘কম্প্যুটার’। আজ অনেকদিন ধরে কলম চালাই না। পিড়িতে বসে রাতের খাবার না খেয়েও যদি কোনো বাঙালির লজ্জা না হয়, আমার তবে কলম না চালাবার জন্যে লজ্জা কিসের?<br />
              দুটোই লেখার যন্ত্র। তাতে, কম্প্যুটারেও হাত কাঁপবার কথা ছিল বটে । কিন্তু কাঁপে যে না, তার কারণ এর সঙ্গে এক বিশাল অভিধান পাওয়া যায়। যে আপনা আপনি আমার লেখার ভুল ধরে ফেলে এবং মুহূর্তে ঠিক করে নিতে পারি। অনেক সময় আমার বাক্যের ভুলও ধরে দেয় কম্প্যুটার। অন্ততঃ কলমে লিখলে যতটা ভুল থাকতে পারত তার প্রায় আশি শতাংশই এখন থাকবার সম্ভাবনা নেই। আর এই ইংরেজিতেই আমাকে আমার লেখালেখির এবং পত্রিকা সম্পাদনার কাজে দেশে বিদেশে বহু লেখকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়। দেশে বিদেশে যোগাযোগ করতে হলে যে আন্তর্জালিকার ( ইন্টারনেট) দরকার পড়ে সেতো অভিধানকে আরো বিশাল করে দিয়েছে। আপনি যে ইংরেজি শব্দটি এম.এস.ওয়ার্ডে খুঁজে পাবেন না, তাকে সেখান থেকেই ক্লিক করে দিন, সে আলাদীনের প্রদীপের মতো সারা পৃথিবী থেকে খুঁজে এনে সেই শব্দের অর্থ আপনার ডান হাতের কাছে ফেলে দেবে। সুতরাং আর ভয় কিসের? আপনাকে বিশেষ শ্রম করতে হবে না।<br />
<strong>শব্দ ঃ তৈরি হচ্ছে পূর্বোত্তরের ভাষাগুলোর ‘Virtual Babel Tower’: </strong><br />
           ইংরেজির মতো স্বতঃস্ফূর্ত কাজ করবার মতো অভিধান এখনো কোনো ভারতীয় ভাষার নেই বটে, সেটি হবে <a href="http://www.icann.org/en/announcements/announcement-30oct09-en.htm">‘আই.সি.এ.এন.এন’ </a>নামের সংস্থাটির প্রকল্প যখন পুরো মাত্রায় কাজ শুরু করবে তখন। আমি নিজে যদিও এখনো পরীক্ষা করিনি তবে অপেন অফিস এবং মাইক্রোসফট২০০৭ যে বাংলা-অসমিয়া সংস্করণ ছেড়েছে তাতে ইতিমধ্যে সেই ব্যবস্থা থাকলেও থাকতে পারে। কিন্তু আপনি সাইট খুলে দেখে নেবার মতো <a href="http://dsal.uchicago.edu/dictionaries/biswas-bengali">বাংলাতে সংসদের অভিধান</a> থেকে শুরু করে প্রচুর আছে। গোগোল ব্যবহার করে বাংলা লিখলে সেটি শুরুতেই আপনাকে অনেক শব্দের বিকল্প সামনে এনে দেয়,আপনি পছন্দের শব্দটি ব্যবহার করতে পারেন। ‘অভ্র’ও এম এস ওয়ার্ডের মতো অনেক বাংলা শব্দ সমর্থণ করে। বিশেষ করে দিন, মাসের নামের মতো বহু প্রচলিত শব্দগুলো লিখতে শুরু করলেই সে পুরো শব্দ দেখাতে শুরু করে । আপনি সেটিতে টিপে দিলেই এ বসে যায়। হিন্দি সহ অন্য ভারতীয় ভাষারও প্রচুর আছে। নেই অসমিয়ার এবং অন্য পূর্বোত্তরীয় ভাষার অভিধান। এবং নেই সিলেটি সহ বাংলা ভাষার পূর্বোত্তর ভারতীয় উপভাষাগুলোকে সমর্থণ করবার মতো কোনো অভিধান। সেই খালি জায়গাকে ভরে তুলতে গেল ক’বছর ধরে তৈরি হচ্ছে ‘শব্দ’                   ( XOBDOঃ ) । এর ওয়েব ঠিকানা হচ্ছেঃ <a href="http://www.xobdo.org">http://www.xobdo.org</a>/ । ভাষার প্রশ্নে যে বৈচিত্র নিয়ে আমাদের গোটা দেশে গৌরব করে বেড়াবার কথা ছিল তাকেই আমরা কাজিয়ার বিষয় করে রেখেছি গেল প্রায় এক শতাব্দি বা তারো বেশি সময় ধরে। ‘শব্দ’ সেই গৌরবকে প্রতিষ্ঠা দেবার ঐতিহাসিক দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে। অচিরেই এটি হবে পূর্বোত্তর ভারতের সবচে’ বড় আর বৈচিত্রময় অভিধান ও বিশ্বকোষ। আমরা তাই নিয়েই লিখব বলে এখন কলম তুলে নিয়ছি। থুড়ি, কম্প্যুটারের বোতাম টিপে চলেছি!<br />
                ধানবাদের ইন্ডিয়ান স্কুল অব মাইন্সের পেট্রলিয়াম প্রযুক্তিতে স্নাতক <a href="http://bikram.bihu.in">বিক্রম মজুমদার বরুয়া</a> টেস্কাস টেক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পূর্ণ করে মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র হয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে গিয়ে থিতু হয়েছেন। সেখানে তিনি এক তেল সংরক্ষণাগারে অভিযন্তার দায়িত্বে কাজ করেন। ২০০৬এর শুরুতে আরবের মরুভুমিতে নিঃসঙ্গ জীবন যাপন করবার দিনগুলোতে স্বাভাবিকভাবেই দেশের নদী-পাহাড় –সবুজ অরণ্য তার কাছে ডাক পাঠাতো। ছেলেবেলা থেকেই কল্পবিজ্ঞানের গল্পে ও নানা প্রবন্ধপাতি অসমিয়াতে লিখে তিনি হাত পাকিয়েছেন। বিদেশে যখন নিজের ল্যাপটপে লিখবেন বলে ভাবছিলেন তখন স্বাভাবিক ভাবেই তাঁর দরকার পড়ছিল এক অভিধানের । গোগোলে যখন তিনি অনুসন্ধান করলেন বাংলা, হিন্দি, পাঞ্জাবি, মালয়ালম ভাষাতে বেশ কিছু অভিধানের খোঁজ পেলেন। অসমিয়াতে একটিও নয়।<br />
                 ব্যস, আর যায় কোথায়! ২০০৬এর মার্চের ১০ তারিখে ‘<a href="http://www.assamnet.org">আসামনেট’</a>ইয়াহু গ্রুপে ( অসমের মানুষের সবচে’ সক্রিয় আন্তর্জালিক গোষ্ঠী) তিনি ‘শব্দে’র যাত্রা ঘোষণা করলেন। কম্প্যুটার প্রযুক্তিতে তিনি যে তেমন দক্ষ ছিলেন তা নয়, না ছিল তাঁর ভাষা বিজ্ঞানের উপর কোনো অধ্যয়ন! যারা মনে করেন কোনো এক বিষয়ে হাজারটা বই গিলে না খেয়ে কাজে হাত দেয়া উচিত নয় তাঁরা যে কেমন সেকেলে লোক, বিক্রম তাঁর উজ্জ্বল উদাহরণ! চাই কেবল স্বপ্ন আর সেই স্বপ্নকে সাকার করবার এক দৃঢ় আকাঙ্ক্ষা। বাকি কাজ আপনি এগোয়। শুরু শুরুতে বিশ্বের নানা কোন থেকে <a href="http://priyankoo.com/web/">প্রিয়ঙ্কু শর্মা, </a>পল্লব শইকিয়া, উজ্জ্বল শইকিয়ারা এসে যোগ দেন। ধীরে আরো অনেকে। প্রিয়ঙ্কু শব্দকে জীবনী শক্তি যোগাবার সঙ্গে সঙ্গে এর প্রচারে উঠে পড়ে লাগেন। প্রচার বিমুখ হয়ে শব্দের এক পাও এগুনো সম্ভব ছিল না, আজো নয়। কেন না এর চাই সারা বিশ্বের যেখানেই পূর্বোত্তরের মানুষ রয়েছেন তাদের থেকে অনেক অনেক সহকর্মী। পল্লব ‘হৃদয়ে’র মতোই আড়ালে থেকে এর প্রাণ স্পন্দনকে সচল রাখবার কাজ করছিলেন। অর্থাৎ , তিনি যাকে বলে ‘ডাটাবেস’ তার কাজটা দেখছিলেন। এখনো তাই করে যাচ্ছেন। এই বিক্রম, প্রিয়াঙ্কু, পল্লব মিলে এখনো &#8216;শব্দ&#8217; সাইটের বছরের ডোমেন ভাড়াটা বহন করেন। উজ্জ্বল শইকিয়াও শুরুর দিকে ‘শব্দে’র সাইট গড়ে তুলতে বেশ খাটাখাটুনি করেছেন। একে একে এলেন দিপাঙ্কর এম বরুয়া, দ্বীপায়ন বরুয়া, অপূর্ব মিলি, রাজীব কুমার দত্ত, নীলোৎপল বরপূজারী, কিশোর কুমার বর্মন, রুবুত মাউত, হাসিনুস সুলতান, রূপম কুমার শর্মা, রেশ্মী রেখা দত্ত, সুদীপ্তা গগৈ আনিসুজ্জামান এমন আরো অনেকে।<br />
                       গুয়াহাটি আই আই টিতে এক বড় কর্মীগোষ্ঠী গড়ে উঠল। বুলজিৎ বুড়াগোহাঁই, ঋতুরাজ শইকিয়া, স্বপ্নিতা কাকতি, অর্চনা রাজবংশী, সঞ্জীব শর্মা, ড০ কৃষ্ণা বরুয়া এমন আরো অনেককে নিয়ে। এদের সবার চেষ্টাতে বহু শব্দ ‘শব্দে’ এসে জমা হলো। ২০০৭এর ১৭ জানুয়ারীতে আই আই টি ক্যাম্পাসেই ‘শব্দে’র প্রথম মুখোমুখী বসে এক সফল সভা হলো। এর আগে সবই হচ্ছিল ইণ্টারনেটে। শুরু থেকেই ‘শব্দে’র সম্পাদনার সমস্যা ছিল। একা বিক্রম এদিকটা সামলাতেন। ২০০৭ থেকে প্রিয়াঙ্কুও তার সঙ্গে এ কাজে হাত বাড়ালেন। পরে রূপঙ্কর মোহান্ত এবং রূপকমল তালুকদার এসেও এ কাজে লেগে পড়লেন।<br />
             ২০০৭এর শেষের দিকে ‘শব্দে’র ডাটাবেসকে ‘মাইক্রোসফটে’র MSSQL প্রযুক্তি থেকে ‘ওপেন সোর্সে’র MySQL এ স্থানান্তরণ ঘটিয়ে সাইটিকেও সাজিয়ে তোলা হয়। পল্লব এবং বিক্রমকে এর জন্যে পৃথিবীর দু’প্রান্তে থেকেও বহু খাটাখাটুনি করতে হয়েছিল। কাজটি বড় চাট্টিখানি ছিল না মোটেও। পিয়াঙ্কু, যিনি এখন উত্তর কোরিয়ার হাংকুক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশ বিষয়ে অধ্যাপনা করে তখন ফ্লরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছিলেন ।একই বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্প্যুটার বিজ্ঞানের ছাত্র সাকিব রহমানকে সঙ্গে নিয়ে তিনিও দিনে রাতে কাজ করে সাইটটিকে তার বর্তমান রূপ দেন। বিক্রমের ভাষাতে, “ Thus, our beloved princes XOBDO got a new look… almost like a bridal make-up!”<br />
           ২০০৮এর জানুয়ারীতে <a href="www.friendsofassam.org">ফ্রেন্ডস অব আসাম এ্যাণ্ড সেভেন সিস্টার্স ( FASS) </a>তাদের বার্ষিক সভাতে সুযোগ করে দেয় ‘শব্দ’এর সাইটকে জন সমক্ষে তুলে ধরতে । প্রচার মাধ্যমগুলো সে ঘটনাকে দারুণভাবে তুলে ধরে। এর পেছনে অবশ্য <a href="http://buljit.bihu.in/">বুলজিতের </a>এক বড় ভূমিকা ছিল। এবারে ওর ভূমিকা প্রশ্নাতীত। অসমের যেকোনো ভালো ভালো সদর্থক কাজের সংবাদ সংগ্রহ করা ও সেগুলোকে যথাসম্ভব বেশি প্রচার দেয়াটা ওঁর অনেকটা ‘শখে’র মতো। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এখনো গুয়াহাটি আই টি আইর গবেষণা ছাত্র। সে বছরের শুরু অব্দি ১০,২০০ অসমিয়া শব্দ সংগৃহীত হয়েছিল । সে বছরে ২০,০০০ এর লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছিল। এ কোনো সহজ কাজ ছিল না। কেবল শব্দ জুড়ে যাওয়াইতো আর কাজ নয়, এগুলোর শব্দতাত্বিক বিশ্লেষণ, যথার্থ ইংরেজি সহ বিভিন্ন ভাষাতে এদের অর্থ লেখা , সেই সঙ্গে এটাও নিশ্চিত করা যে শব্দগুলোর পুনরুক্তি হয় নি এমনি আরো কত কিছু! প্রায় দৈনিক হিসেব রাখার নিয়মানুবর্তীতা মেনে বছর শেষের আগেই বড়দিনের দিনে সেই লক্ষ্যে গিয়ে পৌঁছানো গেছিল পৃথিবীর নানা কোনে ছড়িয়ে থাকা ‘শব্দ’ কর্মীদের কাছে সে ছিল যথার্থই এক উৎসবের মুহূর্ত।<br />
             আগে যাদের নাম উল্লেখ করা গেল তারা ছাড়াও সে বছর এসে কাজে নেমেছিলেন বিরাজ কুমার কাকতি, অঞ্জলি সনোয়াল, প্রশান্ত বরা, পার্থ শর্মা, প্রবীন কাকতি, প্রসেনজিৎ খনিকর, মৌসুমী হাজরিকা, আব্দুল ওয়াহাব, পাপড়ি গগৈরা লেগে থেকে সেই লক্ষ্যমাত্রাতে পৌঁছুনো সম্ভব করে তুলেন। একই বছরে প্রবাদ-প্রবচন যোগ দেবারও এক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। এ পর্যন্ত পূর্বোত্তরের অন্য সব ভাষাকে ‘অন্য ভাষা’ ( Other Languages) বলে উল্লেখ করা হতো। সেবারেই ‘শব্দ’ ঠিক করে কাউকে এভাবে স্বতন্ত্র করার কাজটা ঠিক হচ্ছে না। সমস্ত ভাষাগুলোরই সমান মর্যাদা ও স্বীকৃতি থাকা উচিত। সুতরাং সাইট সম্পাদনা করে সমস্ত ভাষা নাম স্বতন্ত্র ভাবে লেখা শুরু হয়।<br />
              ২০০৯তে পূর্বোত্তরের অন্য ভাষা থেকেও বেশ কিছু সহযোগী এসে যোগ দেন। তাই , মিশিং ভাষার শব্দ যোগাচ্ছেন অঞ্জলি সনোয়াল, মাড় শব্দ যোগাচ্ছেন লালরেমথাঙ মাড়, খাসি শব্দ যোগাচ্ছেন বানলাম ওয়ার্জর, মৈতৈ শব্দ প্রদান করে যাচ্ছেন মোহেন নাওরেম, ডিমাসাতে রয়েছেন বেশ ক’জন কুলেন্দ্র দাউলাগাপু, অনুজ ফঙলোসা, অর্ণব ফঙলোসা এবং উত্তম বাথাহি, প্রণব দোলে মিশিং , নব বডো এবং নওগওত ব্রহ্ম যোগাচ্ছেন বডো এবং মর্নিঙ্কি ফাঙশো ও দীপক টুমুঙ যোগাচ্ছেন কার্বি ভাষার শব্দ। এখন সারাবিশ্বে ‘শব্দে’র প্রায় ১২০০ সদস্য ছড়িয়ে রয়েছেন । যদিও তাদের সবাই সমান সক্রিয় নন।<br />
          এ পর্যন্ত যতগুলো শব্দ এতে এসছে তার এক সাম্প্রতিক( ২০ সেপ্টেম্বর, ২০০৯) হিসেব এরকমঃ<br />
ভাষা	     শব্দ সংখ্যা	          ভাষা	     শব্দ সংখ্যা<br />
অসমিয়া	২২৬২৮ 	ককবরক	৩০৬<br />
ইংরেজি 	১২৪২৩	        বিষ্ণুপ্রিয়া	 ২৩৩<br />
ডিমাসা	        ২৭০৫	        নাগামিজ 	 ১৩৮<br />
কার্বি	        ১৩৭০	           মিজো	 ১২০<br />
মৈতৈ	         ৯৩০	          গারো	        ১১৭<br />
তাই 	          ৯১৫	          চাকমা	৮৭<br />
বডো	         ৮০৪	          আপাতানি	৭৫<br />
মাড়	         ৬৩২	           আও 	৭৩<br />
খাসি	          ৪০৫	          মনপা	       ১৮<br />
মিশিং	          ৩৬৪  	কাওব্রু (রিয়াং) ০</p>
<p>              এই তালিকাতে বাংলা নেই। নেই হিন্দি । পূর্বোত্তরের আরো দুটো প্রধান ভাষা। নেপালিও নেই। নেই আরো বেশ কিছু প্রাচীন ভাষা। থাকা উচিত ছিল কী?<br />
<strong>বাংলা , হিন্দি , নেপালি ভাষা এবং পূর্বোত্তর ভারতঃ </strong><br />
                  এই কথাটাই আমি বিক্রম এবং শব্দের অন্য বন্ধুদের অনেক দিন আগেই জিজ্ঞেস করেছিলাম, বাংলা নেই কেন? শব্দের সঙ্গে আমার যোগাযোগ ২০০৮এর মাঝামাঝি। আমাদের তিনসুকিয়া কলেজের নিয়মিত প্রকাশনা ‘প্রজ্ঞানে’র  জন্যে ‘শব্দ’ সম্পর্কিত তথ্যাদি পাঠান বুলজিৎ । সেখানে তা ছাপাও হয়। সেই থেকে তিনি আমাদের কাগজের এক সক্রিয় শুভানুধ্যায়ী। ‘প্রজ্ঞানে’র ‘প্যানোরামা’তে চোখ ফেরালেই বুলজিৎকে অনেকটা চেনা যায় । আমি নিজেও বাংলাতে লেখার সঙ্গে অসমিয়াতে লিখি । অসমিয়া থেকে অনুবাদের কাজ করি । আর যেহেতু তা ব্লগে করি, অন্য অভিধানের সঙ্গে ‘শব্দ’ও সেই থেকে আমার সহযোগী। ‘শব্দে’র নিজের গোগোল বন্ধু গোষ্ঠী আছে (xobdo@googlegroups.com )। এছাড়াও আমাদের মত বিনিময় হয়ে থাকে ‘ফাস’, আসামনেট’, ‘শিলচর’(Silchar@yahoogroups.com ) ইয়াহু গোষ্ঠীতে। বিক্রম বলছিলেন বাংলাতে ইতিমধ্যে অনেক অভিধান রয়েছে। আরেকটা জমবে কিনা , এ নিয়ে তাঁর সংশয় আছে। কিন্তু সেই অভিধানগুলোতে ‘হে-তাই’ ( He-She / 3rdt person, singular number) নেই, নেই ‘লগে লগে’, ‘বিয়ানি বেলা’, ‘হাইঞ্জা বেলা’ , ‘কিয়ানো’,‘কুশিয়ার’ এমন আরো কত কিছু। তিনি যখন জেনেছিলেন এ হচ্ছে ‘সিলেটি’ তখন কথাটা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছিলেন । প্রিয়ঙ্কু এবং অন্যেরা এমন আরো অনেকে খবর নিয়ে জেনেছিলেন , যে অবিভক্ত বাংলাদেশে একে একসময় স্বতন্ত্র ভাষা হিসেবে দাঁড় করাবার চেষ্টা হয়েছিল । সিলেটি নাগরি লিপিও গড়ে তোলার চেষ্টা হয়েছিল। এখনো সে চেষ্টা একেবারে বাদ পড়ে নি। বরং <a href="http://www.youtube.com/watch?v=rpqb5DLybS4">বিদেশেও কোথাও কোথাও</a> একে <a href="http://www3.hants.gov.uk/education/ema/ema-advice/ema-advice-lcr/ema-advice-lcr-bengali.htm">স্বতন্ত্র ভাষা হিসেবে শেখানোই</a> হচ্ছে। অসমিয়া ভাষা তাত্বিকেরাও একে নিয়ে বেশ আলোচনা করেছেন, বেনুধর রাজখোয়া থেকে শুরু করে প্রায় সবাই। উপেন রাভা হাকাচামতো একে অসমের এক প্রাচীন স্থানীয় ভাষাই বলেন। যদিও এঁরা প্রায় সবাই একে হয় অসমিয়ার উপভাষা বা বৃহত্তম অসমিয়ার অংশ হিসেবে দেখেছেন। প্রিয়ঙ্কু আমার প্রথম জিজ্ঞাসার ক’দিন পরেই জানান, ব্যাপারটা ওঁদের বিবেচনাতে আছে। সিলেটিকে আলাদা ভাষা বা উপভাষা হিসেবেও নেবার কথা বিবেচিত হচ্ছিল। কিন্তু , আমি ওঁদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানাচ্ছিলাম, কেবল সিলেটি নিলেতো হবে না, ‘কাছাড়ি বাংলা’র কথা যে কেউ বলে না। আর দক্ষিণ ত্রিপুরার প্রধান উপভাষা কুমিল্লার ভাষার কী হবে? এ ছাড়া পদ্মা নদীর গোটা পূর্ব পারের বাঙালি, যারা পূর্বোত্তর ভারতে এসছেন বা আছেন, তারাই বা বাদ যাবেন কেন? এগুলো আলোচনা চলছিল।<br />
                সম্প্রতি একটা লেখাতে বিক্রম শুরুতেই প্রশ্ন করেছেন, “ How many of you, whose mother tongue is Assamese, have the basic knowledge of the languages of the neighboring states, like Khasi, Ao, Mizo, Meetelon? Let alone these languages, how many of you know even the basics of few languages of Assam itself? Like Bodo, Mising, Rabha, Karbi? Probably very few of you are, that can be counted on finger-tips. The reverse is also true… there is hardly any genuine effort to learn Assamese by the non-native-speakers residing in the state, let alone those in the neighboring seven-sister states. Can we break this barrier?’ এই যে ‘barrier’&#8212;- এ কেবল মানবিক সম্পর্কের নয়, পরম্পরার, ইতিহাসের, সংস্কৃতির এবং ভূগোলেরো বটে। বিক্রমের কথাগুলোর Assamese শব্দের জায়গাতে Bengali বসিয়ে দিয়েও একই প্রশ্ন ছোঁড়ে দেয়া যায়। এঁরা যেমন সিলেটি বা কাছাড়ি সম্পর্কে বিশেষ জানতেন না, আমি লক্ষ্য করেছিলাম বাঙালি বন্ধুরাও জানতেন না, কাছাড়ে সিলেটির আরো এক প্রাচীন রূপান্তর ‘কাছাড়ি’ও বটে! এটা শিলচর শহরের অনেকেও জানেন না, বা জানলেও আলাদা করে স্বীকার করতে চান না। সেই ক্ষোভে সম্প্রতি হাফলঙের জগন্নাথ চক্রবর্তী, যিনি আদতে হাইলাকান্দির সন্তান, এক ঢাউস সাইজের অভিধান লেখে নাম দিয়েছেন, ‘ বরাক উপত্যকার আঞ্চলিক বাংলা ভাষার অভিধান ও ভাষাতত্ব। ’ এর মুখবন্ধ লিখেদিয়েছেন স্বনামধন্য ভাষাবিদ পবিত্র সরকার।  আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘ইটা কোন বা’ষা? সিলেটি অইলে ইতো খালি বরাকর বা’ষা নায় !” তাঁর জবাব ছিল, “চিলটি নায়। চিলটি হ’কলে আমারতাইনতর বা&#8217;ষারে মান্যতা দেইন না, এর লাগ্গিউ নাম দিলাইলাম ‘বরাক বাংলা’!” অভিধানের অনেক জায়গাতে তিনি ‘আঞ্চলিক বাংলা’ কথাটিও ব্যবহার করেছেন। ‘লেখকের নিবেদনে’ এক জায়গায় লিখেছেন, “ ঢাকা বাংলা একাডেমি প্রকাশিত মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত ‘বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষা অভিধান’ এ সিলেট অঞ্চল স্বাভাবিকভাবে অন্তর্ভূক্ত হলেও বরাক উপত্যকার আঞ্চলিক বাংলা সম্ভবত আলাদা রাষ্ট্রের অঞ্চল বলেই বাদ পড়েছে। আর কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আঞ্চলিক বাংলা ভাষার অভিধান’ সংকলন প্রকল্পটি যেহেতু পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রিক তাই ওখানেও স্থান হয়নি বরাক উপত্যকার।” ছেলেবেলা তাঁর মুখের বাংলা শোনে যে সেখানকারই বাঙালি আত্মীয় তাঁর মা-বাবাকে পরামর্শ দিতেন , ‘ এসব গ্রাম্য নীচ লোকের ভাষা না শেখাতে&#8230;।” এই তথ্য তিনি বেশ খেদের সঙ্গেই উল্লেখ করেছেন। <a href="http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/1715/dsc01937" rel="attachment wp-att-1720"><img src="http://coffeehouseradda.com/files/2010/02/DSC01937-150x150.jpg" alt="প্যিয়ঙ্কু &#39;শব্দ&#39; নিয়ে আজই এক বক্তৃতা করল তিনসুকিয়া কলেজে" width="150" height="150" class="alignright size-thumbnail wp-image-1720" /></a><br />
               ‘কাছাড়ি হকল, চিলটি হকল আর অইলগিয়া ( হ’লগৈ) অসমিয়া সকল’—এদের যে এক প্রাচীন ঐতিহাসিক আত্মীয়তা রয়েছে এ কথা আমরা জেনেও না জানার ভান করে থাকি । বাঙালিতো আমরা বটেই&#8212; এনিয়ে যেন কেউ আমার কথাগুলোকে ভুল না বোঝেন। কিন্তু বাঙালি বলে প্রমাণ করবার দৌড়ে আমরা এতো বেশি পশ্চিমের ( কলকাতা) দিকে তাকিয়ে থাকি যে অসমিয়া সহ অন্যরাতো বটেই, নিজেদের দিকেই ভালো করে তাকাবার আমাদের ফুরসত মেলে না। আমার মনে আছে প্রথম প্রথম তিনসুকিয়া শহরে এক অনুষ্ঠানে শক্তিপদ ব্রহ্মচারির এক কবিতা পড়তে আমার পা কাঁপছিল। এই ভয়ে যে, কোনো বাঙালি যদি আমাকে জিজ্ঞেস করে বসেন, ‘কে সে হরিদাস বাবাজী?’ কলকাতাতেতো এঁর নাম শোনা যায় নি!<br />
বাঙালির বড় ভাগটা যেহেতু পূর্বোত্তরের বাইরে থাকেন, অবাঙালি অনেকেই আমাদের ‘বহিরাগত’ বলে ভেবে নেন, ‘খিলঞ্জিয়া’র তালিকাতে হিসেবই করেন না। আমরাও যেন এই সত্যকে প্রমাণ করবার জন্যে সদাব্যস্ত। আমাদের আচারে ব্যবহারে এবং অনুষ্ঠানে । তাই সামাজিক হাজারটা প্রশ্নে বাঙালিকে দেখা যাবে নীরব দর্শক। আমাদের মধ্য সংঘাত ভেদাভেদ আছে। নেইটা&#8211; কার মধ্যে? নাগা-কুকী বছরে সাতবার রক্তাক্ত সংঘাতে ব্যস্ত হয়। তাই বলে, এতো নৈরাসক্তি আর নিস্পৃহতা নিয়ে কেউ বাস করে না। তাই বলে, এই সত্যকে ভুলব কী করে যে ‘চুঙ্গা পিঠা’ আর ‘মেড়ামেড়ির’ ঘর না হলে আমাদেরও পৌষ সংক্রান্তি জমে উঠে না! সম্প্রতি আমি <a href="http://ishankonerkahini.blogspot.com">অসমিয়া ‘ফেলানি’  উপন্যাসখানা</a> ব্লগে অনুবাদ করছি। করতে গিয়ে এমন অনেক শব্দে আটকে যাচ্ছি । আমার মনে হচ্ছে এমন বহু শব্দ রয়েছে যেগুলো আমাদের ভাষাতে রয়েছে । কিন্তু যেহেতু আমাকে কলেজ ষ্ট্রিটের অভিধান অনুসরণ করতে হবে আমাকে সেগুলো কেবল অসমিয়া বলে বাদ দিতে হবে। যারাই অনুবাদ করেন তারাই নিশ্চয় আদর্শ বাংলাতে প্রথম পুরুষের একবচনে লিঙ্গ ভেদ ( সিলেটিঃ হে –তাই) না থাকার যন্ত্রণাটা উপলব্ধি করেন। এতোটা সাহস অবশ্যি আমি এখনো করতে পারিনি, কিন্তু আমার প্রায়ই মনে হয়, ‘আমার লগে’, ‘চড়াই’, ‘কুশিয়ার’ ইত্যাদি প্রয়োগ করতে পারব না কেন? এগুলোতো আমাদের নিজেদের শব্দ। এতে ভেজালটা কোথায়? ‘উরুকার মেজি’র বদলে আমি কেন ‘মেড়ামেড়ির ঘর’ (স্মরণ করুনঃ অসমিয়া মেরঘর, বেড়াতে ঘেরা ঘর) ব্যবহার করে আত্মীয়তাটা জাহির করব না? কেন আমাকে এর জন্যে টীকা দিয়ে লিখতে হবে ‘ভোগালি বিহুর এক বিশেষ পরম্পরা!’ আমারটা বুঝি দিব্বি উবে যাবে আলেয়ার আলোর মতো সমস্ত মান্য স্মৃতি থেকে ? কিন্তু আমি জানি ‘মেরামেড়ির ঘরের’ও  টীকা নাদিলে উজানের বাঙালি কিছুই বুঝবেন না। তার সংস্কৃতি এবং কলকাতার থেকে পাওয়া বইতে শব্দটি নেই !<br />
<strong>এক নতুন সাম্রাজ্যের সন্ধানে ‘শব্দ’- বাংলা ,হিন্দি , নেপালি এবং আদি ভাষাতেও চাই স্বেচ্ছাসেবীঃ</strong><br />
                গেল জানুয়ারির ১২ তারিখে গুয়াহাটিতে ‘শব্দে’র সভা বসেছিল। সেই সভাতে সিদ্ধান্ত হয়ে গেল এবার থেকে আদি, বাংলা, হিন্দি ও নেপালিও ‘শব্দে’র অংশভাগী হবে। ১১, ১২ দু’দিন গুয়াহাটির মাছখোয়া আই.টি.এ সেন্টার ফর পারফর্মিং আর্ট প্রেক্ষাগৃহে বসেছিল প্রথমবারের মতো পূর্বোত্তর ভারতীয়দের আন্তর্জাতিক সম্মেলন <a href="www.neiim2010.com">NEIIM 2010</a> ।  আয়োজক ছিল ‘ফাস’ এবং অসম সরকার। সম্মেলনের শেষে ‘শব্দে’র সভা বসে। সেখানে বিক্রম, প্রিয়ঙ্কু, বুলজিত, বিরাজ, প্রশান্ত, পাপড়িরা, ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আকলান্তিকা শইকিয়া, ভাষ্কর জ্যোতি দাস, নীলোৎপল ডেকা এবং বর্তমান লেখক। <a href="http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/1715/dsc01717" rel="attachment wp-att-1721"><img src="http://coffeehouseradda.com/files/2010/02/DSC01717-150x150.jpg" alt="১২ জানুয়ারি,১০ শব্দের সভার পর আমরা ক&#39;জন" width="150" height="150" class="alignright size-thumbnail wp-image-1721" /></a><br />
‘শব্দে’ বাংলার প্রবেশ বাংলার পক্ষে দুটো কাজ করবে। বাংলা ভাষাতে পূর্বোত্তরের স্বতন্ত্র অস্ত্বিত্ব ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে পূর্বোত্তরের অন্য ভাষার সঙ্গেও নিজের আত্মীয়তার সূত্রে এখানকার আলো হাওয়ার কাছেও নিজের অস্ত্বিত্ব ঘোষণা করবে। কেবল বাংলা নয় হিন্দির, নেপালি, পক্ষেও কথাটা সত্যি। এতো কেবল এক অভিধান নয়! বিক্রম সম্প্রতি এর এক সংজ্ঞা দেবার চেষ্টা করেছেন এরকম, ““XOBDO is a precise and detailed online multi-directional multi-lingual multi-media based dictionary-cum-phrasebook-thesaurus-cum-encyclopaedia of the languages of the North-East India!!” তিনি আরো লিখেছেন, “Search some very basic words like ‘mother’, ‘bamboo’, ‘river’ etc. You will get the corresponding words in almost all the major languages of the North-East – Bodo, Mising, Khasi, Karbi, Meetelon in addition to English and Assamese. Or, search the Dimasa word ‘dilao’ or the Karbi word ‘lut’ and find out what does it mean in Assamese or English or any other language of the North-East. You can actually search a word of any language and find the equivalent words in all the available languages. In other words, XOBDO is multi-directional and multi-lingual. In one article, XOBDO has been described as the ‘virtual Babel Tower of the North-East’. বাইবেলীয় পৌরাণিক গাঁথার ‘বেবেল মিনারে’র মতো সত্যি সত্যি ‘শব্দ’ স্বর্গ ছোঁয়ার সম্ভাবনা রাখে।<br />
                  আমরা বিক্রমের বক্তব্যের সমর্থণে একটি উদাহরণ দিতে চাইব। ইংরেজি ‘Bamboo’ শব্দটির এখন অব্দি যে অর্থগুলো পাওয়া গেছে তা এরকমঃ অসমিয়াতে ‘বাঁহ’, বাংশ, বডো-ঔয়া (ow-vaa) , মিশিং-দিবাং (dibang), খাসি-উ স্কং (u skong) , গারো-ওয়া (wa.a), মৈতৈ-ওয়া (waa) মিজো-মাউ (mau) ,কার্বি-ছেক (chek), নাগামীজ –বাশ (bas) ডিমাসা-ওয়াহ (woah)। এবারে যখন বাংলা অর্থ প্রবেশ করবে, কী আসবে? সব্বাই জানেন-বাঁশ, বংশ । জগন্নাথ চক্রবর্তী আরো এক প্রতিশব্দের কথা জানিয়েছেন –‘বা’ ( পৃঃ ২৫৮)। তিনি এর সংস্কৃত উৎসের কথা জানিয়েছেন, লিখেছেন, সং-বংশ। সত্যি হতেও পারে। কিন্তু এখানেই তাঁর অভিধানের সীমাবদ্ধতা। সংস্কৃতের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্কের উল্লেখ করেছেন। যেখানে তা পারেননি নীরব থেকেছেন। যথেষ্ঠ সম্ভাবনা থাকা সত্বেও ভোট –মোঙ্গলীয় উৎসের দিকে তেমন তাকান নি। সংস্কৃত ‘ঘ’ প্রত্যয় নিয়ে &#8216;বশ&#8217; ধাতু থেকে আসা ‘বংশ’ শব্দটির অর্থ আমরা সবাই জানি। কুল । এর থেকে তৃণ জাতীয় উদ্ভিদের কল্পনাটা বড্ড কষ্টকর। এর থেকে বডো-ঔয়া (ow-vaa) থেকে গারো-ওয়া থেকে ডিমাসা-ওয়াহ থেকে অসমিয়া বাঁহ থেকে (সিলেটি বাংলা বাহ ?) বরাক (কাছাড়ি )বাংলা বা থেকে বাংলা বাঁশ থেকে এবং ‘প্রোথিতে’র মতো সংস্কৃত উৎস শব্দ ‘বংশ’ গড়ে দেয়া হয়েছে, ভাবা যায় না কি? আমরা অবশ্য নিশ্চিত নই। একটা সম্ভাবনার কথা বলছি। দ্রাবিড় বা অস্ট্রিক উৎস থেকেও আসতে পারে। কন্নড় ‘বানবু’ থেকে কোঙ্কনি ‘মাম্বু’ পোর্তুগীজ হয়ে গিয়ে ইংরেজিতে ‘ব্যাম্বো’ (থেকে অসমিয়া ও সিলেটিতে তুচ্ছার্থে‘বাম্বু’) হয়েছে। মালয় দ্বীপেও এর প্রতিশব্দ রয়েছে ‘সামাম্বু’। এবারে, এই যে সংস্কৃত ছেড়ে আমি অন্যদিকে দৃষ্টি ফেরালাম এটা ‘শব্দ’ আমাকে বাধ্য করল। বডো- ডিমাসা প্রতিশব্দগুলো না দেখলে আমি ভাবতামই না যে ‘বাঁশ’ পূর্বোত্তর ভারত সহ এই দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ারই সংস্কৃতির এক ঘনিষ্ঠ অঙ্গ। শ্যামের ‘বাঁশি’ এদিক থেকেই বাংলাতে এবং তার পরে সারা ভারতে (হিন্দি ‘বাঁশরি’) গিয়ে ‘রাধা’কে ডাক পাঠালেও পাঠাতে পারে। এই তথ্যের উল্লেখ করলে আমাদের সম্মান বাড়ে বই কমে না। অন্তত ‘দাদা’, কাকা’র মতো শব্দগুলো যে গেছেই এদিক থেকে এনিয়ে আমরা প্রায় নিশ্চিত। এগুলো সংস্কৃতে আর কৈ খুঁজে পাওয়া যাবে? <a href="http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/1715/dsc02509" rel="attachment wp-att-1723"><img src="http://coffeehouseradda.com/files/2010/02/DSC02509-150x150.jpg" alt="প্রথম পূর্বোত্তর ভারতীয় আন্তররাজাতিক সম্মেলনে ফ্রেন্ডস কাগজটীর উন্মোচন করার দায়িত্বে আমি " width="150" height="150" class="alignright size-thumbnail wp-image-1723" /></a><br />
এভাবে ভাষাগুলোর তুলনামূলক অধ্যয়নে ‘শব্দ’ এক বিশাল উৎস ভাণ্ডারের কাজ করবে, এটি প্রায় নিশ্চিত । সে বহু অনুসন্ধানকে ইতিমধ্যে উস্কেও দিচ্ছে। তার উপর ভাষাগুলোর মধ্যে পারস্পারিক অনুবাদের কাজেও ‘শব্দ’ এক সহজ সহায়ক হতে পারে। ‘শব্দে’র কর্মীরা যদিও সারা বিশ্বে ছড়িয়ে আছেন, তবু তাদের প্রায় সব্বারই বাড়ি ঘর এই ঈশান কোণে। কিন্তু বাংলা- হিন্দি-নেপালির মতো ভাষাগুলো এসে প্রবেশ করাতে আমরা আশা করতেই পারি এবারে ‘শব্দে’র বিস্তার পশ্চিম তথা বায়ু কোণ অব্দি ছড়িয়ে যেতেই পারে । শব্দ যোগাতে পারে পূর্বোত্তর ভারতের অনুবাদ সাহিত্যকে এক নতুন শক্তি। অনুবাদের মধ্যি দিয়েই যেমন ভাষাগুলোর সমস্ত লিখিত পরম্পরা পরস্পরের মধ্যে আরো ছড়াতে পারে তেমনি বাংলা, হিন্দি ইত্যাদি ভাষাতে অনুদিত হয়েই এখানকার সমস্ত লিখিত পরম্পরা বাকি ভারতে তার বিজয় নিশান ছড়াতে পারে।<br />
<strong>খরগোশ এবং কচ্ছপের সেই প্রাচীন গল্পের অর্বাচীন রূপান্তর এবং ‘শব্দ’:</strong><br />
             এ পর্যন্ত এসে আমার সেই খরগোশ আর কচ্ছপের গল্পটির কথা মনে পড়ে গেল। সেই যে খরগোশ ঘুমিয়ে গেছিল আর কচ্ছপ দৌড়ে ওকে পেছনে ফেলে দিয়েছিল। সেটি প্রাচীন গল্প । গল্পটির এক অর্বাচীন কম্প্যুটার সংস্করণ তৈরি হয়ে গেছে। দুর্দান্ত ! সংক্ষেপে সেটি এই। খরগোশ বেচারা মন খারাপ করে ভাবতে বসলে, সে ওমনটি হারল কেন? অতি আত্মবিশ্বাসই তার বিপদ ডেকে এনেছে&#8212; সে বুঝতে পারল। সুতরাং ,সে আবারো গিয়ে দৌড়ের প্রস্তাব দিল কচ্ছপকে । কচ্ছপ বেচারা রাজি হয়ে গেল। এবারে কিন্তু খরগোশই জিতল। ধর্য্য, স্থর্য্য নিয়ে যে এগোয় সেও জেতে বটে। কিন্তু বিজয়ী হবার জন্যে স্থৈর্য আর দৃঢ়তার সঙ্গে দ্রুতি অনেক বেশি জরুরি ব্যাপার। সেটি কচ্ছপের জানা ছিল না। এবারে কচ্ছপ এক দুষ্ট চাল চালল। হেরে এসে সে আরেকবার দৌড়ের প্রস্তাব দিলে খরগোশ আবারো একই ভুল করল। এবারে পথ বেছে নেবার দায়িত্ব নিয়েছিল কচ্ছপ। যে পথে এগুলো তার মাঝে রয়েছে এক নদী। সেটি পেরিয়েও এর পরেও যেতে হবে আরো বহু দূর। খরগোশ বেচারা যখন আগে আগে এসে ভাবছে কী করবে, কচ্ছপ এসে দিব্বি সাঁতার কেটে পেরিয়ে গেল। হেরে গিয়ে খরগোশ ভাবল, নিজের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতাটা তার জানা উচিত ছিল । এতোবার দৌড়ঝাঁপ করতে করতে ওদের মধ্যে একটা বন্ধুত্বও হয়ে গিয়েছিল। তাই খরগোশ এসে বলল, নিজেদের মধ্যেতো অনেক প্রতিযোগিতা হলো। এবারে চলো, আমাদের প্রতিযোগিতা হবে ঐ পথের সঙ্গেই। নিজেদের মধ্যে কেবল সহযোগিতা। এবারেও তারা ঐ নদী পথটাই বেছে নিল । কিন্তু এবারে নদী অব্দি পথে খরগোশ কচ্ছপকে পিঠে তুলে নিল। নদীতে আসতেই কচ্ছপ নেমে গিয়ে খরগোশকে পিঠে নিয়ে নদী সাঁতরে পেরিয়ে গেল। বাকিটা পথ আবারো খরগোশের পিঠে চেপে আগের দিনের জায়গাতে গিয়ে যখন ওরা পৌঁছলো বেলা ডুবতে তখনো অনেক অনেক অনেক বাকি।<br />
           পুরো গল্পটির এক ফ্লাস প্রস্তুতি <a href="http://sushantakar40.blogspot.com">আমার নিজের ব্লগে</a> রয়েছে।  আমি নিজেও প্রায় সমস্ত কাজে এই গল্পের আধুনিক শিক্ষা কাজে লাগাই। ‘শব্দ’ও তাই করে । করতে বলছে, সব্বাইকে। নইলে যে তার পথ চলা হবেই না। যেখানে ছিল দাঁড়িয়ে থাকবে। দাঁড়িয়ে থাকবে গোটা পূর্বোত্তর! তাই কি ! তা হলে চলুন, সেই খরগোশ আর কচ্ছপের মতো আমরা সবাই সেই দৌড়ের অর্বাচীন সংস্করণে নাম লেখাই। আজই গিয়ে ‘শব্দে’র সাইটটি খুলুন আর মাউসে ক্লিক করে লিখতে বসে পড়ুন পূর্বোত্তরের সমস্ত ভাষা সাহিত্যের এক নতুন ইতিবৃত্ত।<br />
                 ০০০০০০০০০০০০~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~০০০০০০০০০০০০০০০<br />
ঋণ স্বীকারঃ   এ প্রবন্ধ লিখতে সম্প্রতি প্রকাশিত বিক্রম বরুয়ার দুটি লেখা থেকেও সাহায্য নিয়েছিঃ Making of XOBDO , p 105, <a href="http://www.magazine.assamfoundation.net">FRIENDS</a>, একটি ‘ফাস’ প্রকাশনা এবং The Virtual ‘Bebel Tower of North East’ , p69 , স্মরণিকা –NEIIM 2010 </p>
<a href="http://www.addtoany.com/add_to/google_bookmarks?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F1715&amp;linkname=%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%2C%20%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9F%2C%20%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE%20%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82%20%20%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%20%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%20%E2%80%98%E0%A6%B6%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E2%80%99%3A" title="Google Bookmarks" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/google.png" width="16" height="16" alt="Google Bookmarks"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/orkut?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F1715&amp;linkname=%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%2C%20%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9F%2C%20%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE%20%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82%20%20%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%20%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%20%E2%80%98%E0%A6%B6%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E2%80%99%3A" title="Orkut" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/orkut.png" width="16" height="16" alt="Orkut"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F1715&amp;linkname=%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%2C%20%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9F%2C%20%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE%20%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82%20%20%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%20%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%20%E2%80%98%E0%A6%B6%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E2%80%99%3A" title="Twitter" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/twitter.png" width="16" height="16" alt="Twitter"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F1715&amp;linkname=%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%2C%20%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9F%2C%20%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE%20%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82%20%20%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%20%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%20%E2%80%98%E0%A6%B6%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E2%80%99%3A" title="Facebook" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/facebook.png" width="16" height="16" alt="Facebook"/></a> <a href="http://www.addtoany.com/add_to/yahoo_bookmarks?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F1715&amp;linkname=%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%2C%20%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9F%2C%20%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE%20%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82%20%20%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%20%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%20%E2%80%98%E0%A6%B6%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E2%80%99%3A" title="Yahoo Bookmarks" rel="nofollow" target="_blank"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/icons/yahoo.png" width="16" height="16" alt="Yahoo Bookmarks"/></a> <a class="a2a_dd addtoany_share_save" href="http://www.addtoany.com/share_save?linkurl=http%3A%2F%2Fcoffeehouseradda.com%2Fblog%2Fsushanta40%2F1715&amp;linkname=%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%2C%20%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9F%2C%20%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE%20%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82%20%20%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%20%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%20%E2%80%98%E0%A6%B6%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E2%80%99%3A"><img src="http://coffeehouseradda.com/wp-content/plugins/add-to-any/share_save_120_16.png" width="120" height="16" alt="Share/Bookmark"/></a>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://coffeehouseradda.com/blog/sushanta40/1715/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>17</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
