জ্যোতি বসুর সঠিক মৃত্যুদিন কবে?
প্রবীণ বামফ্রন্ট নেতা জ্যোতি বসুর প্রয়াণের পরে উঠেছে নানা বিতর্ক। জ্যোতি বসু আসলে কবে মারা গেছেন?
বসুর মৃত্যুর খবর সার্বজনিক ভাবে প্রচার মাধ্যমের সামনে জানানো হয়েছে ১৭’ই জানুয়ারি তারিখে। কিন্তু, পুত্র চন্দন বসু তার প্রয়াত পিতার শ্রাদ্ধানুষ্ঠান সম্পন্ন করেছেন ২৭’শে জানুয়ারি তারিখে এবং এই তারিখ অনুযায়ী জ্যোতি বসুর মৃত্যুদিন দাঁড়াচ্ছে জানুয়ারি ১৪ তারিখে। ১৩ দিনের মাথায় শ্রাদ্ধানুষ্ঠান তাদের।
একজন ছেলে কিকরে তার পিতার মৃত্যুদিন এতোখানি ভুল করলেন? একদিনের ভুল হলেও হতে পারতো, কিন্তু তিন দিনের ভুল? সঠিক মৃত্যু দিন তাহলে কবে? মৃত্যুদিন ১৭’ই জানুয়ারিতে হলে কিভাবে ১০ দিনের মাথায় ২৭’শে জানুয়ারিতে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান হয়? পুত্র চন্দন বসু ভুল করলেও কেউ তাকে শুধরে দিলেন না - এটাই কি বিশ্বাস করে নিতে হবে? নাকি, বসুর মৃত্যু ১৪ তারিখেই সঠিক তারিখ এবং পুত্র চন্দন বসু এই কারনেই বিধি মেনে ১৩ দিনের মাথায় ২৭’শে জানুয়ারিতে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান করলেন? তাহলে কেন তিন দিন দেরী করে আমাদেরকে ১৭’ই জানুয়ারি তারিখে বসুর মৃত্যুর খবর কেঁদে কেঁদে জানালেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু?
কে ঠিক, আর কে ভুল? উত্তর কি জানা আছে কারো? খবরটি বেড়িয়েছে ১০’ই ফেব্রুয়ারির বাংলা স্টেটসম্যান পত্রিকার প্রথম পাতায় বাঁদিকের কলামে। আমি হতবাক, আগে খেয়াল করিনি! আমি আমার ব্লগে লেখাটি প্রকাশ করতে করতে ভাবলাম আপনাদেরকেও জিজ্ঞেস করি, স্টেটসম্যান যে এই বিতর্ক উস্কে দিয়েছে, এতে আপনাদের রায় কি? নাকি স্টেটসম্যান পত্রিকাই ভুল করেছে? তারা কি সঠিক না জেনেই পত্রিকায় এই বিতর্ক ছাপিয়ে দিলো?
ব্লগের অন্যান্য কিছু পোস্ট
আসছে…

সময় 20:02
১৭ই জানুয়ারি থেকে ২৭শে জানুয়ারি, আমার মনে হয় ঠিক আছে । হিন্দুমতে ১১ দিনের মাথায় শ্রাদ্ধানুষ্ঠান হতেই পারে ! এ নিয়ে বিতর্ক করার কিছু নেই ।
আর জ্যোতি বসুর মৃত্যুর খবর লুকনো যায় না । আমার মনে হয় বামফ্রন্ট এটা ভালো করে জানে, তাই এ বোকামি বামফ্রন্ট কখনই করবে না ।
সময় 00:28
আমারও একই অভিমত।
সময় 13:01
‘মৃত্যুর খবর কেঁদে কেঁদে জানালেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু?’…ei line ta ki just line??.naki ekhanao kono inghitt??.jai hok..line ta thik vhalo laglo na..ki jani boka toka manus ami..
…r ya prosongokrome 1ta lekha porte bolchi ..
http://www.aajkaal.net/archive/report.php?hidd_report_id=122394
sobbai vhalo thakun sustho thakun..
সময় 13:04
prosongokrome hoytto noy..but tobuo ei lekha ta pore dakhun diki…..
http://www.aajkaal.net/archive/report.php?hidd_report_id=122394
vhalo thakun..sustho thakun sobbai.. .:)
সময় 09:47
কি জানি! স্টেটসম্যান পত্রিকার সাংবাদিকরা তাহলে এইসব চিন্তা করেননি এমন একটি বিষয়ে লেখার আগে? তাহলে তো বড় আশ্চর্যের ব্যাপার, তাইনা? ফ্রন্টপেজেই এমন লেখা ছাপিয়ে দিয়েছে সব না জেনেই?
সময় 16:15
হেটেড ক্যাম্পেইন।
সময় 00:45
রিয়া,
একটু দেরী হল মন্তব্য করতে। প্রায় সব খবরের কাগজেরই এরকম বিভ্রান্তি তৈরী করবার অভ্যেস আছে। এ অভিজ্ঞতা নতুন নয়।
আপনাকে এই ফাঁকে একটি কথা বলি,অন্য প্রসঙ্গে। আপনার ব্লগটি নতুন সাজে খুব ভাল লাগছে। আড্ডার সব পাঠক কিন্তু আপনার ব্লগের বিষয়ে নাও জানতে পারে। অথচ কী দারুন বিষয় ও তথ্য নিয়ে আপনি ব্লগ সাজাচ্ছেন প্রতিদিন। এখানে ঐসব নিয়ে লিখুন না। আমরা যারা সাধারণ তারা খুব উপকৃত হব।
সময় 12:15
অপ্রয়োজনে বিতর্কের মশলা খোঁজা তো মিডিয়ার চরিত্র।আপনার স্ক্র্যাপে তা দেখি কেন ভাই? আপনি মিডিয়ার কোনো পরমাত্মীয়? জ্যোতিবাবুকে মৃত্যুর পরেও ছাড়া হচ্ছেনা দেখছি।উনি মারা গেছেন সেটাই সত্যি।বামফ্রন্টের কি রোল ছিলো তার মৃত্যু ঘোষনায় কিংবা চন্দন সঠিক দিনে শ্রাদ্ধ করেছেন কিনা ( শ্রাদ্ধের কি মানে এক্ষেত্রে আমি বুঝি না! যে মানুষটা মরণোত্তর দেহ দান করে গেলেন তাকে নিয়ে আবার আচার-বিচার!!) এ নিয়ে বিতর্ক কি উদ্দেশ্য সাধন করতে পারে একটু বুঝিয়ে বলবেন কি?
সময় 21:05
নাহ্, জ্যোতিবাবু দেখি নিজের ছেলেটাকেই মানুষ করতে পারলেন না।
একে তো পুঁজিপতি, তাও আবার কমিউনিস্ট বাবার শ্রাদ্ধ-শান্তি !!
তবে মৃত্যুদিন নিয়ে বিতর্কের কিছু তো দেখি না, ওটা নেহাতই মিডিয়ার স্টান্টবাজী ছাড়া আর কিছু না।
সময় 01:12
জ্যোতিবাবু কমিউনিস্ট ছিলেন ?
মন্তব্য যেমন দেখা যাবে :
লেখা ছোটো দেখাচ্ছে?
সাবস্ক্রাইব করুন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
ব্লগের অন্যান্য কিছু লেখা
Magazine Basic মূল থিমটি বানিয়েছেন c.bavota.
Powered by WordPress.